Rasgolla Celebration: আজ ১৪ নভেম্বর পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে পালিত হচ্ছে রসগোল্লা দিবস। বাংলার ঐতিহ্যবাহী এই মিষ্টি উদযাপনের মূল কেন্দ্র জয়নগর, যেখানে বিভিন্ন মিষ্টি দোকান এবং শহরাঞ্চলে ২০টি ভিন্ন স্বাদের রসগোল্লা ক্রেতাদের জন্য সাজানো হয়েছে। প্রতি বছর শিশু দিবসের সঙ্গে মিলিয়ে এই দিনটি বাঙালির কাছে রসগোল্লার বিশেষ মর্যাদা বহন করে। মিষ্টিপ্রেমীদের জন্য এটি এক আনন্দের দিন, যা রসগোল্লার জিআই স্বীকৃতিকে সম্মান জানায়।

রসগোল্লার ইতিহাস ও জিআই স্বীকৃতি
রসগোল্লা শুধুই মিষ্টি নয়, বাঙালির সাংস্কৃতিক পরিচয়ের অংশ। দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে ২০১৮ সালের ১৪ নভেম্বর বাংলার রসগোল্লাকে জিআই ট্যাগ দেওয়া হয়। এই স্বীকৃতি বাংলার রসগোল্লাকে আন্তর্জাতিক মঞ্চেও বিশেষ মর্যাদা দিয়েছে। শিশু দিবসের সঙ্গে মিলিয়ে এই দিনটি এখন রসগোল্লা দিবস হিসেবে উদযাপিত হয়।

২০টি নতুন স্বাদের রসগোল্লা
এই বছর উদযাপনের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে নতুন ও অভিনব স্বাদের রসগোল্লা। সাদা রসগোল্লার সঙ্গে রয়েছে পেস্তা, কমলা, ব্ল্যাক কারেন্ট, স্ট্রবেরি, ব্লুবেরি, কেশর, গন্ধরাজ, বাটারস্কচ, আনারস, আম, চকোলেট, গুড় এবং আরও নানা স্বাদ। মিষ্টিপ্রেমীরা এই উদ্ভাবনী স্বাদগুলোর সঙ্গে পরিচিত হয়ে উৎসবে মেতেছে।

উৎসবের আমেজ ও ক্রেতাদের উৎসাহ
জয়নগর, বহুরু ও দক্ষিণ বারাসাতের মিষ্টি দোকানগুলো আজ বিশেষভাবে সাজানো। বিনামূল্যে রসগোল্লার বিতরণ এবং রাস্তার পাশে ছোট অনুষ্ঠানের মাধ্যমে স্থানীয়রা এবং পর্যটকরা মিষ্টির আনন্দ উপভোগ করছেন। ক্রেতাদের উৎসাহ এতটাই চোখে পড়ার মতো যে মিষ্টিপ্রেমীরা আশা করছেন একদিন রসগোল্লা দিবস ধনতেরাস বা ভ্যালেন্টাইন ডের মতো জনপ্রিয় হয়ে উঠবে।

মিষ্টিপ্রেমীদের প্রত্যাশা ও ব্যবসায়িক প্রভাব
মিষ্টি ব্যবসায়ীরা জানান, রসগোল্লা দিবসে বিভিন্ন স্বাদের প্রস্তুতি ক্রেতাদের আনন্দদায়ক অভিজ্ঞতা দেয়। প্রতিবার কুড়িটিও বেশি নতুন স্বাদ তৈরি করা হয়। এই বিশেষ দিনে মিষ্টি ব্যবসায়ীরা আনন্দের সঙ্গে উদযাপন করেন এবং আশা করেন, ভবিষ্যতে রসগোল্লা দিবস আরও বৃহত্তরভাবে পালিত হবে।

রসগোল্লা দিবস ২০২৫ উদযাপন: কেশর, গন্ধরাজ, ব্ল্যাক কারেন্ট, বাটারস্কচসহ ২০টি দুর্ধর্ষ স্বাদের রসগোল্লা এখন বাংলার খ্যাতনামা মিষ্টি দোকানে। পশ্চিমবঙ্গ সরকার ঘোষিত এই দিনে শিশু দিবসের সঙ্গে মিলিয়ে মিষ্টিপ্রেমীদের উৎসবের আমেজ দেখার মতো।













