বারবার বিতর্ক, কটাক্ষ আর ‘দেশদ্রোহী’ তকমা সত্ত্বেও ভারতীয় সংস্কৃতির প্রতি নিজের শ্রদ্ধা লুকোননি সলমন খান। গোমাতাকে ‘মা’ সম্বোধন থেকে শুরু করে রাম জন্মভূমি ঘড়ি—একাধিকবার তাঁর বিশ্বাসের প্রকাশ ঘটেছে প্রকাশ্যে। এবার তাঁর গলায় দেখা গেল সোনায় মোড়া রুদ্রাক্ষের মতো একটি মালা, যা ঘিরে ফের আলোচনার ঝড়।
ভাইরাল ছবিতেই রহস্যের শুরু
সম্প্রতি নিজের পোষ্যের সঙ্গে একটি আদুরে ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেন সলমন খান। ছবিতে হাঁটু মুড়ে বসে সারমেয়র গায়ে হাত বুলিয়ে দিতে দেখা যায় তাঁকে। কিন্তু নজর কেড়ে নেয় তাঁর গলায় ঝোলানো একটি সোনার মালা। কাছ থেকে দেখলে অনেকেরই দাবি, সেটি রুদ্রাক্ষ দিয়ে তৈরি।
রুদ্রাক্ষ না কি জ্যোতিষের পরামর্শ?
নেটভুবন এই মালা নিয়ে দ্বিখণ্ডিত। একাংশের দাবি, শিবশক্তির প্রতীক রুদ্রাক্ষ ধারণ করে হিন্দুধর্মের প্রতি সম্মান জানালেন ভাইজান। আবার আরেক দল মনে করছে, জ্যোতিষের পরামর্শেই এই বিশেষ কণ্ঠী পরেছেন তিনি। যদিও সলমনের তরফে এ বিষয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা মেলেনি।
অনুরাগীদের প্রতিক্রিয়া: ‘হর হর মহাদেব’
ছবির কমেন্ট বক্সে ভেসে উঠছে ‘হর হর মহাদেব’, ‘সনাতনী শক্তির জয়’—এমন নানা মন্তব্য। অনেকেই মনে করছেন, সলমন আবারও প্রমাণ করলেন তিনি ধর্মের ঊর্ধ্বে উঠে বিশ্বাস ও মানবতার পক্ষেই দাঁড়ান।
ধর্ম নিয়ে সলমনের অবস্থান বরাবরই স্পষ্ট
সলমন খান বহুবার প্রকাশ্যে বলেছেন, তাঁর কাছে সব ধর্মই সমান। মুসলিম পরিবারে জন্ম হলেও গোমাংস তিনি খান না। এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, “গোমাতা আমাদেরও মা। আমার নিজের মা হিন্দু, বাবা মুসলিম আর আরেক মা হেলেন খ্রিস্টান। আমার বাড়িটাই এক টুকরো হিন্দুস্তান।”
রাম জন্মভূমি ঘড়ি থেকে রুদ্রাক্ষ—আগেও বিতর্ক
গত বছরের শুরুতে কবজিতে ‘রাম জন্মভূমি’ লেখা ঘড়ি পরে মৌলবীদের একাংশের রোষানলে পড়েছিলেন সলমন। তবু নিজের বিশ্বাসে অনড় থেকেছেন তিনি। সেই ধারাবাহিকতাতেই কি এবার রুদ্রাক্ষের মালা?
সলমন খানের সাম্প্রতিক একটি ছবি ঘিরে তুমুল চর্চা নেটদুনিয়ায়। গলায় ঝুলতে দেখা যাচ্ছে সোনায় মোড়া রুদ্রাক্ষের মতো মালা। শরিয়তি বিধিনিষেধের তোয়াক্কা না করে হিন্দুধর্ম ও শিবশক্তির প্রতি শ্রদ্ধা জানানোতেই কি এই নতুন চমক? অনুরাগীদের মধ্যে কৌতূহল তুঙ্গে।













