সমস্তিপুরে এএস-এর বিরুদ্ধে স্বাস্থ্য বিভাগের সতর্কতা, সদর হাসপাতালে ১০টি শয্যা সংরক্ষিত।

সমस्तीপুরে অ্যাকিউট এনসেফালাইটিস সিনড্রোম (AES) মোকাবিলায় স্বাস্থ্য বিভাগ সতর্কতামূলক প্রস্তুতি শুরু করেছে। সদর হাসপাতালে ১০টি বেড সংরক্ষণ, ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম মজুত এবং গ্রাম ও প্রা AES-এর কোনো ঘটনা রিপোর্ট হয়নি।
সমস্তিপুরে এএস-এর বিরুদ্ধে স্বাস্থ্য বিভাগের সতর্কতা, সদর হাসপাতালে ১০টি শয্যা সংরক্ষিত।
Photo Credit / Attribution: Google

সমस्तीপুরে অ্যাকিউট এনসেফালাইটিস সিনড্রোম (AES) নিয়ে স্বাস্থ্য বিভাগ সতর্কতা জারি করেছে। গরম এবং পরিবর্তিত আবহাওয়ার প্রেক্ষিতে হাসপাতালগুলোতে বিশেষ প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।

স্বাস্থ্য বিভাগ সদর হাসপাতালে AES রোগীদের জন্য ১০টি বেড সংরক্ষণ করেছে। পাশাপাশি পর্যাপ্ত পরিমাণ ওষুধ এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম উপলব্ধ রাখার দাবি করা হয়েছে।

অধিকারীদের মতে, বর্তমানে জেলায় AES-এর একটি ঘটনাও সামনে আসেনি। তা সত্ত্বেও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে পূর্ণ প্রস্তুতি রাখা হচ্ছে।

সমस्तीপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শিশুদের মধ্যে উচ্চ জ্বর, অচেতনতা বা খিঁচুনির মতো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্য বিভাগের দল গ্রাম এবং প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোর পরিস্থিতির ওপরও নজরদারি চালাচ্ছে। জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রচারাভিযান চালানোর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

বিহারে প্রতি বছর গরম এবং বর্ষাকালে AES নিয়ে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা হয়, কারণ শিশুদের মধ্যে এই রোগ গুরুতর আকার ধারণ করতে পারে।

চিকিৎসকরা অভিভাবকদের শিশুদের পরিষ্কার পানি এবং পুষ্টিকর খাবার দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। পাশাপাশি উচ্চ জ্বর বা দুর্বলতার লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়াতেও স্বাস্থ্য বিভাগের প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা চলছে। সময়মতো নেওয়া প্রস্তুতির মাধ্যমে সম্ভাব্য পরিস্থিতি মোকাবিলা করা সম্ভব হবে বলে অনেকে আশা প্রকাশ করেছেন।

সদর হাসপাতাল প্রশাসনের দাবি, হাসপাতালে অক্সিজেন, ওষুধ এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় পরিষেবার প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, AES-এর মতো রোগ প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা, সময়মতো চিকিৎসা এবং জনসচেতনতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

বর্তমানে জেলায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। তবে স্বাস্থ্য বিভাগ ধারাবাহিকভাবে নজরদারি বজায় রেখেছে।

Leave a comment