ক্যানিংয়ের বিতর্কিত ক্যাফে ‘অরণ্যের কূলে’ নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিল প্রশাসন। নদীর চর দখল করে নির্মাণের অভিযোগে ক্যাফের মালিক ইমরান মোল্লাকে নোটিস পাঠিয়ে আগামী ২৯ জুনের মধ্যে কাঠামো ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্দেশ কার্যকর না হলে প্রশাসনের পক্ষ থেকেই উচ্ছেদ অভিযান চালানো হবে বলে জানানো হয়েছে।
![]()
অবৈধ নির্মাণের অভিযোগে প্রশাসনের কড়া পদক্ষেপ
দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ উঠছিল, ক্যানিংয়ের মৌখালি সেতু সংলগ্ন এলাকায় নদীর চর দখল করে তৈরি করা হয়েছে ‘অরণ্যের কূলে’ ক্যাফে। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনিক পর্যায়ে তদন্তের পর এবার সরাসরি উচ্ছেদের নির্দেশ জারি হয়েছে। মহকুমাশাসকের দফতর থেকে ক্যাফের মালিক ইমরান মোল্লার হাতে আনুষ্ঠানিক নোটিস তুলে দেওয়া হয়েছে।
২৯ জুনের মধ্যে ভাঙতে হবে ক্যাফে
প্রশাসনের নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী ২৯ জুনের মধ্যেই ক্যাফেটি মালিককে নিজ দায়িত্বে ভেঙে ফেলতে হবে। নির্ধারিত সময়সীমার পরেও যদি কাঠামো অক্ষত থাকে, তাহলে প্রশাসন নিজেই বুলডোজার দিয়ে উচ্ছেদ অভিযান চালাবে। ফলে এখন ক্যাফেটির ভবিষ্যৎ কার্যত অনিশ্চিত।
![]()
শুধু একটি ক্যাফে নয়, নজরে আশপাশের অন্যান্য নির্মাণও
প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, শুধু ‘অরণ্যের কূলে’ নয়, মৌখালি সেতু সংলগ্ন এলাকায় গড়ে ওঠা আরও কয়েকটি দোকান ও বাণিজ্যিক নির্মাণের নথিপত্রও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সেগুলির বৈধতা যাচাইয়ের কাজ চলছে। কোথাও অনিয়ম ধরা পড়লে পরবর্তী সময়ে সেখানেও একই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।
শওকত মোল্লার গ্রেফতারের পর বাড়ে নজরদারি
ক্যানিং পূর্বের প্রাক্তন বিধায়ক শওকত মোল্লা গ্রেফতার হওয়ার পর থেকেই তাঁর পরিবারের বিভিন্ন সম্পত্তি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়। সেই সময়ই ইমরান মোল্লার মালিকানাধীন এই ক্যাফেটিও প্রশাসনের নজরে আসে। অভিযোগ, শওকত মোল্লা বিধায়ক থাকাকালীন সময়ে এই ক্যাফে গড়ে ওঠে এবং দীর্ঘদিন ধরে সেখানে ব্যবসা চলছিল।
![]()
তদন্তের জেরেই সামনে এল ক্যাফের বিতর্ক
ভাঙড় বিস্ফোরণ মামলার তদন্ত চলাকালীন সংশ্লিষ্ট সম্পত্তিগুলির নথি খতিয়ে দেখতে গিয়েই এই ক্যাফে নিয়ে প্রশ্ন ওঠে বলে প্রশাসনিক সূত্রের দাবি। এরপর অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে উচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই ‘অরণ্যের কূলে’ ক্যাফের অস্তিত্ব ইতিহাস হয়ে যেতে পারে।
![]()
দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিংয়ে শওকত মোল্লার ছেলে ইমরান মোল্লার মালিকানাধীন বিতর্কিত ক্যাফে ‘অরণ্যের কূলে’ ভেঙে ফেলার নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন। অভিযোগ, নদীর চর দখল করে ক্যাফেটি তৈরি করা হয়েছে। ২৯ জুনের মধ্যে মালিককে নিজেই ক্যাফে সরিয়ে ফেলতে বলা হয়েছে। নির্দেশ না মানলে প্রশাসন নিজেই উচ্ছেদ অভিযান চালাবে।











