পথকুকুরদের আচরণ অনিশ্চিত: সুপ্রিম কোর্ট, জনসমাগম স্থান থেকে সরানোর নির্দেশ

পথকুকুরদের আচরণ অনিশ্চিত: সুপ্রিম কোর্ট, জনসমাগম স্থান থেকে সরানোর নির্দেশ

পথকুকুরদের আচরণ নিয়ে শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট বলেছে যে তাদের মন পড়া যায় না। স্কুল, হাসপাতাল এবং জনসমাগমের স্থানগুলি থেকে কুকুরদের ধরে নির্বীজকরণ, টিকাকরণ এবং আশ্রয়কেন্দ্রে পাঠানো বাধ্যতামূলক হবে।

New Delhi: সুপ্রিম কোর্টে পথকুকুরদের মামলার শুনানি চলছে। এই সময় বেঞ্চ বলেছে যে কুকুরদের মন পড়া যায় না যে তারা কখন কামড়াতে পারে। বিচারপতি বিক্রম নাথ, সন্দীপ মেহতা এবং এনভি আঞ্জারিয়া এই মামলার শুনানি করছেন। আদালত স্পষ্ট করেছে যে পথকুকুরদের আচরণ অনিশ্চিত, তাই সতর্কতা জরুরি।

পূর্ব নির্দেশ: প্রতিষ্ঠানগুলি থেকে কুকুরদের স্থানান্তর

৭ নভেম্বর আদালত স্কুল, হাসপাতাল, ক্রীড়া প্রাঙ্গণ, বাস স্ট্যান্ড এবং রেলওয়ে স্টেশনের মতো জনসমাগমের স্থান ও প্রাতিষ্ঠানিক এলাকা থেকে পথকুকুরদের সরানোর নির্দেশ দিয়েছিল। আদালত নির্দেশ দিয়েছে যে এই কুকুরগুলিকে ধরার পর নির্বীজকরণ ও টিকাকরণ করে উপযুক্ত আশ্রয়কেন্দ্রে পাঠানো হোক। এই পদক্ষেপটি শুধুমাত্র মানুষের নিরাপত্তার জন্য নয়, কুকুরদের মঙ্গলের জন্যও জরুরি।

জননিরাপত্তার ঝুঁকি

বেঞ্চ জানিয়েছে যে পথকুকুরদের কারণে জলাতঙ্ক ছাড়াও সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়ে যায়। আদালত বলেছে যে এই পরিস্থিতিতে শুধুমাত্র নিয়ন্ত্রণ এবং পর্যবেক্ষণের কার্যকর পদক্ষেপই সমাধান হতে পারে।

কুকুরপ্রেমীদের উদ্বেগ

কুকুরপ্রেমীদের পক্ষে সওয়ালকারী বরিষ্ঠ আইনজীবী কপিল সিব্বল বলেছেন যে সমস্ত কুকুরকে আশ্রয়কেন্দ্রে রাখা শারীরিকভাবে এবং আর্থিকভাবে সম্ভব নয়। তিনি পরামর্শ দিয়েছেন যে সমাধান বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে হওয়া উচিত।

এর উত্তরে বিচারপতি সন্দীপ মেহতা বলেছেন যে প্রতিরোধ সবসময় প্রতিকারের চেয়ে ভালো। তিনি এও স্পষ্ট করেছেন যে আদালত কেবল এটি নিশ্চিত করছে যে আইন ও নিয়মাবলী মানা হচ্ছে। যদি কোনো রাজ্য নির্দেশাবলী পালন না করে, তাহলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আইন মানা বাধ্যতামূলক

সুপ্রিম কোর্ট সমস্ত রাজ্য এবং প্রশাসনিক বিভাগগুলিকে নির্দেশ পালন করার আদেশ দিয়েছে। যদি কোনো রাজ্য বা স্থানীয় প্রশাসন ব্যবস্থা না নেয়, তাহলে এটিকে আইন লঙ্ঘনের রূপে দেখা হবে। এতে শুধুমাত্র মানুষের সুরক্ষাই বিপন্ন হয় না, বরং কুকুরদের স্বাস্থ্যও প্রভাবিত হয়।

Leave a comment