Nadia News: দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষার পর ফের ক্রীড়াক্ষেত্রে নতুন উদ্দীপনা শান্তিপুরে। প্রায় ১০ বছর পর স্থানীয় ক্লাব ও স্কুলগুলির হাতে সরকারি বরাদ্দে ক্রীড়া সরঞ্জাম পৌঁছে গেল। খেলাধুলার পরিকাঠামো উন্নত করা এবং নতুন প্রজন্মকে মাঠমুখী করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য বলে জানানো হয়েছে।
৩১টি ক্লাব পেল বিভিন্ন ধরনের ক্রীড়া সরঞ্জাম
শান্তিপুরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ফুটবল, ক্রিকেট ও ভলিবলের সঙ্গে যুক্ত মোট ৩১টি ক্লাবের হাতে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম তুলে দেওয়া হয়।এর মধ্যে ১২টি ফুটবল ক্লাব পেয়েছে ফুটবল বুট, বল এবং জার্সি। ১১টি ক্রিকেট ক্লাবকে দেওয়া হয়েছে ইংলিশ উইলো ব্যাট, হেলমেট এবং অনুশীলনের বল। অন্যদিকে, ৮টি ভলিবল ক্লাব পেয়েছে ভলিবল, নেট ও জার্সি।এছাড়াও শান্তিপুর জোনাল স্পোর্টস অ্যাসোসিয়েশনের হাতে গোলপোস্টের নেট এবং কর্নার ফ্ল্যাগ তুলে দেওয়া হয়েছে।
১৭টি স্কুলেও পৌঁছল ক্রীড়া সরঞ্জাম
শুধু ক্লাব নয়, স্কুলগুলিকেও এই উদ্যোগের আওতায় আনা হয়েছে। মোট ১৭টি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ক্রীড়া পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য সরঞ্জাম দেওয়া হয়।
এর মধ্যে ১৪টি স্কুলকে ফুটবল দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি মিউনিসিপ্যাল স্কুল, হিন্দু হাই স্কুল এবং তন্তুবায় স্কুলকে ১৮ সেট করে ডিজিটাল জার্সি দেওয়া হয়েছে।
আগামী দিনে আরও স্কুলকে এই প্রকল্পের আওতায় আনার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
উন্নয়ন তহবিল থেকে বরাদ্দ সাড়ে ৬ লক্ষাধিক টাকা
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বিধায়কের উন্নয়ন তহবিল থেকে এই উদ্যোগের জন্য সাড়ে ৬ লক্ষাধিক টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল। টেন্ডারে নির্ধারিত মান বজায় রেখেই সরঞ্জাম সরবরাহ করা হয়েছে বলে আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।দীর্ঘ সময় পর এই ধরনের উদ্যোগে খুশি স্থানীয় ক্লাবকর্তা থেকে শুরু করে ক্রীড়াপ্রেমীরা।
কৃতি ক্রীড়াবিদদেরও সংবর্ধনা
অনুষ্ঠানে শুধু সরঞ্জাম বিতরণেই থেমে থাকেনি উদ্যোগ। জাতীয় স্তরে সাফল্য অর্জন করা শান্তিপুরের চারজন কৃতি ক্রীড়াবিদকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।এছাড়াও ক্রীড়াক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য পশ্চিমবঙ্গ দৃষ্টিহীন ক্রিকেট সংস্থাকেও সম্মানিত করা হয়েছে।
আগামী দিনে মাঠ সংস্কারের পরিকল্পনা
বিধায়ক স্বপন কুমার দাস জানান, আগামী দিনেও শান্তিপুরের ক্রীড়া পরিকাঠামো উন্নয়নে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে। মাঠ সংস্কারের পাশাপাশি রেফারি ও আম্পায়ারদের সহযোগিতা এবং অন্যান্য ক্রীড়া পরিকাঠামো উন্নয়নের কাজ চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।এছাড়াও কলকাতায় খেলা অথবা পরীক্ষার কাজে যাওয়া স্থানীয় ছাত্রছাত্রী ও ক্রীড়াবিদদের থাকার জন্য এমএলএ হোস্টেলে সুবিধা দেওয়ার আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে।
নতুন প্রতিভা উঠে আসার আশায় ক্রীড়াপ্রেমীরা
দীর্ঘদিন পর এমন উদ্যোগে শান্তিপুরের ক্রীড়া মহলে নতুন উৎসাহ তৈরি হয়েছে। স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের আশা, পর্যাপ্ত সরঞ্জাম, নিয়মিত অনুশীলন এবং প্রতিযোগিতার সুযোগ পেলে আগামী দিনে এই এলাকা থেকে আরও প্রতিভাবান খেলোয়াড় উঠে আসতে পারেন।
দীর্ঘ প্রায় এক দশক পর শান্তিপুরে স্থানীয় ক্লাব ও স্কুলগুলির হাতে ক্রীড়া সরঞ্জাম তুলে দেওয়া হল। বিধায়ক স্বপন কুমার দাসের উদ্যোগে উন্নয়ন তহবিলের সাড়ে ৬ লক্ষাধিক টাকার বরাদ্দে ফুটবল, ক্রিকেট ও ভলিবল-সহ বিভিন্ন সরঞ্জাম দেওয়া হয়েছে। মোট ৩১টি ক্লাব ও ১৭টি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় এই উদ্যোগের আওতায় এসেছে।













