পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মানচিত্রে গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র Siliguri এবার নজরের কেন্দ্রে। এতদিন সমতল রাজনীতির প্রভাব থাকলেও ২০২৬-এর ভোটে পাহাড়ি শক্তির সরাসরি অংশগ্রহণে বদলে যাচ্ছে সমীকরণ, যা ফলাফলে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
![]()
প্রার্থীর সংখ্যা বেড়ে নতুন চমক
২০২১ সালের নির্বাচনে যেখানে মোট ১০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন, সেখানে এবারে সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১-তে। এই বৃদ্ধি শুধু সংখ্যাতেই নয়, বরং রাজনৈতিক বৈচিত্র্যও বাড়িয়েছে। ফলে ভোটের অঙ্ক আরও জটিল হয়েছে।
প্রধান দলগুলির লড়াই
এবারের নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে গৌতম দেব, বিজেপির হয়ে ড. শঙ্কর ঘোষ এবং সিপিআই(এম)-এর হয়ে শরদিন্দু চক্রবর্তী লড়াইয়ে রয়েছেন। অন্যদিকে, প্রায় দুই দশক পর কংগ্রেস এককভাবে প্রার্থী দিয়েছে—অলোক ধারা। ফলে চার প্রধান শক্তির মধ্যে সরাসরি সংঘর্ষের ইঙ্গিত স্পষ্ট।
![]()
পাহাড়ি রাজনীতির প্রবেশ
সবচেয়ে বড় পরিবর্তন এসেছে পাহাড়ি রাজনৈতিক শক্তির অংশগ্রহণে। নির্দল প্রার্থী কৃষ্ণনন্দ সিং, যিনি ইন্ডিয়ান গোর্খা জনশক্তি ফ্রন্টের সমর্থিত, এই প্রথমবার সমতলের এই কেন্দ্রে লড়ছেন। এর ফলে পাহাড়-সমতলের ভোটব্যাঙ্কে নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে।
ছোট দল ও নির্দলদের প্রভাব
এসইউসিআই(সি), বহুজন সমাজ পার্টি এবং ‘আমরা বাঙালি’ সংগঠনের প্রার্থীরাও মাঠে রয়েছেন। পাশাপাশি একাধিক নির্দল প্রার্থীও লড়াইয়ে অংশ নিয়েছেন। এই অতিরিক্ত উপস্থিতি মূল ভোট কাটাকাটিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে।
![]()
ভোটের অঙ্কে অনিশ্চয়তা
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, প্রার্থীর সংখ্যা বৃদ্ধি এবং নতুন শক্তির প্রবেশে ভোট বিভাজন বাড়বে। বিশেষ করে পাহাড়ি ভোটব্যাঙ্কের প্রভাব যদি পড়ে, তাহলে ফলাফল সম্পূর্ণ নতুন মোড় নিতে পারে।
![]()
২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনে শিলিগুড়ি কেন্দ্রে এবার নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। প্রার্থীর সংখ্যা বেড়ে ১১ হওয়ার পাশাপাশি পাহাড়ি রাজনৈতিক সংগঠনের প্রবেশে লড়াই আরও ত্রিমুখী ও অনিশ্চিত হয়ে উঠেছে।












