২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আবহে ধূপগুড়ির জনসভা পেল এক আবেগঘন মুহূর্তের সাক্ষী। জনসমুদ্রের মাঝে মঞ্চে উঠে ব্যক্তিগত শোকের মধ্যেও রাজনৈতিক লড়াই চালিয়ে যাওয়ার দৃঢ় বার্তা দিলেন এশিয়াড সোনাজয়ী অ্যাথলিট তথা তৃণমূল প্রার্থী স্বপ্না বর্মন।
‘ধূপগুড়িতে জনসমুদ্র, কেন্দ্রবিন্দুতে স্বপ্না’
উত্তরবঙ্গের ধূপগুড়ির মাটিতে আয়োজিত জনসভায় উপচে পড়া ভিড় নজর কেড়েছে। সেই জনসমাবেশে হঠাৎই আলোর কেন্দ্রে উঠে আসেন রাজগঞ্জ কেন্দ্রের প্রার্থী স্বপ্না বর্মন। তাঁর উপস্থিতি ঘিরে কৌতূহল যেমন বেড়েছে, তেমনই জনতার উচ্ছ্বাসও ছিল চোখে পড়ার মতো।
‘শোকের আবহে রাজনীতির মঞ্চে প্রথম পদক্ষেপ’
সম্প্রতি বাবার মৃত্যু স্বপ্নার জীবনে গভীর শূন্যতা তৈরি করেছে। সেই শোকের আবহ কাটিয়ে এই প্রথমবার রাজনৈতিক ময়দানে সক্রিয়ভাবে অংশ নিলেন তিনি। জনতার সামনে দৃঢ়ভাবে দাঁড়ালেও, তাঁর চোখেমুখে আবেগের ছাপ স্পষ্ট ছিল।
‘মঞ্চে আবেগঘন মুহূর্ত, তবু বার্তা স্পষ্ট’
মঞ্চে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে দাঁড়িয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন স্বপ্না। বাবার প্রসঙ্গ উঠতেই কিছুক্ষণের জন্য থমকে যান তিনি। কণ্ঠ নরম হয়ে এলেও নিজেকে সামলে নিয়ে বলেন, “মন খারাপ থাকলেও লড়াই থেকে সরে আসার উপায় নেই।” এই বার্তাই যেন গোটা সভায় ছড়িয়ে পড়ে।
‘খেলার ময়দান থেকে রাজনীতির নতুন ইনিংস’
হেপ্টাথলনের মঞ্চে নিজের জেদ ও কঠোর পরিশ্রমে যিনি দেশকে গর্বিত করেছেন, সেই স্বপ্নার সামনে এখন নতুন চ্যালেঞ্জ। খেলাধুলার মাঠে যে মানসিক দৃঢ়তা দেখিয়েছেন, রাজনীতির ময়দানেও তা বজায় রাখতে চান তিনি।
‘জনসভা ছাড়িয়ে অনুপ্রেরণার গল্প’
ধূপগুড়ির এই সভা শুধুমাত্র নির্বাচনী প্রচারেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। এটি হয়ে উঠেছে এক ব্যক্তির সংগ্রাম, দায়িত্ববোধ এবং অদম্য মানসিক শক্তির প্রতীক। ব্যক্তিগত ক্ষতির মধ্যেও দায়িত্ব পালন করার এই ছবি অনেককেই অনুপ্রাণিত করেছে।
ব্যক্তিগত শোককে সঙ্গী করেই রাজনৈতিক ময়দানে নেমেছেন Swapna Barman। ধূপগুড়ির জনসভায় Abhishek Banerjee-র পাশে দাঁড়িয়ে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার বার্তা দিলেন তিনি।











