বিহারের রাজনীতিতে প্রভাবশালী মুখ তেজস্বী যাদবের হাতে আরও বড় দায়িত্ব তুলে দিল রাষ্ট্রীয় জনতা দল। রবিবার অনুষ্ঠিত দলের জাতীয় এক্সিকিউটিভ কমিটির বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তেজস্বী যাদবই হবেন RJD দলের সর্বভারতীয় কার্যকরী সভাপতি। এই প্রথমবার দলের সাংগঠনিক কাঠামোয় এমন একটি পদ তৈরি করা হল।
জাতীয় এক্সিকিউটিভ বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত
রবিবার অনুষ্ঠিত RJD-এর জাতীয় এক্সিকিউটিভ কমিটির বৈঠকে সর্বসম্মতভাবে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করা এবং জাতীয় স্তরে দলের উপস্থিতি বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই নতুন পদ সৃষ্টি করা হয়েছে।
তেজস্বীর জন্যই নতুন পদ
এতদিন রাষ্ট্রীয় জনতা দলে ‘জাতীয় ওয়ার্কিং প্রেসিডেন্ট’ বা কার্যকরী সভাপতির মতো কোনও পদ ছিল না। তেজস্বী যাদবের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক দক্ষতার কথা মাথায় রেখেই এই পদ তৈরি করা হয়েছে বলে দলীয় নেতৃত্বের দাবি।
লালু-উত্তর যুগে তেজস্বীর গুরুত্ব
RJD প্রতিষ্ঠাতা লালুপ্রসাদ যাদবের পরে দলের মুখ হিসেবে ধীরে ধীরে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন তেজস্বী যাদব। বিহারের রাজনীতিতে বিরোধী নেতা হিসেবে তাঁর ভূমিকা এবং সাম্প্রতিক নির্বাচনে দলের পারফরম্যান্স তাঁকে সংগঠনের কেন্দ্রীয় মুখে পরিণত করেছে।
জাতীয় রাজনীতিতে RJD-র ভূমিকা বাড়ানোর লক্ষ্য
নতুন দায়িত্ব পাওয়ার পর তেজস্বী যাদবের কাঁধে পড়ল জাতীয় স্তরে দলকে আরও সক্রিয় করার দায়িত্ব। বিরোধী জোটের রাজনীতিতে RJD-র অবস্থান মজবুত করা এবং বিহারের বাইরে দলীয় সংগঠন বিস্তারের পরিকল্পনাই তাঁর মূল লক্ষ্য বলে মনে করা হচ্ছে।
রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা
তেজস্বী যাদবের এই নিয়োগ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। অনেকের মতে, এটি RJD-র ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের দিকেই স্পষ্ট ইঙ্গিত। আবার বিরোধীদের দাবি, এই পদ তৈরি মূলত পারিবারিক রাজনীতিরই আরেক উদাহরণ।
রাষ্ট্রীয় জনতা দল (RJD)-এর সংগঠনে বড়সড় রদবদল। রবিবার দলের জাতীয় এক্সিকিউটিভ কমিটির বৈঠকে তেজস্বী যাদবকে সর্বভারতীয় কার্যকরী সভাপতি হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। এতদিন আরজেডি-তে এই ধরনের কোনও পদ ছিল না। তেজস্বী যাদবের জন্যই বিশেষভাবে এই নতুন পদ তৈরি করা হয়েছে।











