গরম পড়তেই বাজারে শসার চাহিদা তুঙ্গে। সালাদ থেকে শুরু করে রায়তা—সবেতেই শসা অপরিহার্য। কিন্তু অনেক সময় কিনে আনা শসা তেতো হওয়ায় খাওয়ার আনন্দই নষ্ট হয়ে যায়। অথচ সামান্য কিছু কৌশল জানলেই বাজার থেকেই বেছে নিতে পারবেন একদম টাটকা ও মিষ্টি শসা।

গ্রীষ্মে কেন বাড়ে শসার গুরুত্ব
শসায় প্রায় ৯৫% জলীয় উপাদান থাকে, যা শরীরকে হাইড্রেটেড রাখে। তাই গরমকালে এটি শুধু স্বাদের জন্য নয়, স্বাস্থ্যের জন্যও অত্যন্ত উপকারী। তবে তেতো শসা এই উপকারের বদলে অস্বস্তি বাড়াতে পারে।
আকার দেখেই বুঝুন শসার মান
খুব বড়, মোটা বা বাঁকা শসা এড়িয়ে চলাই ভালো। এগুলো সাধারণত অতিরিক্ত পাকা হয় এবং ভিতরে তেতো হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। মাঝারি আকারের, সোজা ও ভারসাম্যপূর্ণ শসাই সবচেয়ে নিরাপদ পছন্দ।
রঙেই লুকিয়ে থাকে আসল রহস্য
গাঢ় সবুজ বা হালকা সবুজাভ শসা সাধারণত তাজা ও মিষ্টি হয়। যদি শসা হলদেটে হয়ে যায়, তাহলে বুঝতে হবে সেটি পুরনো বা অতিরিক্ত পাকা—যা স্বাদে তেতো হতে পারে।

ওজন ও শক্তভাব পরীক্ষা জরুরি
শসা হাতে তুলে দেখুন—অতিরিক্ত ভারী হলে তা ভিতরে বীজ বেশি বা পাকা হতে পারে। আবার খুব নরম হলে সেটি পচা হওয়ার ইঙ্গিত। একটি ভালো শসা হবে হালকা, শক্ত এবং টানটান।
ডগা পরীক্ষা—সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ট্রিক
শসার তেতোভাব সাধারণত ডগার দিকে বেশি থাকে। তাই কেনার সময় দুই প্রান্ত খেয়াল করুন। যদি খুব শুকনো বা শক্ত লাগে, তবে তা পুরনো হতে পারে। সামান্য নরম ও সতেজ প্রান্তই ভালো শসার লক্ষণ।
চাপ দিয়ে বুঝুন তাজা কিনা
আলতো চাপ দিলে যদি শসা শক্ত থাকে, তবে সেটি টাটকা। আর যদি নরম বা দেবে যায়, তবে তা এড়িয়ে চলাই ভালো। এই ছোট্ট পরীক্ষাতেই অনেকটা নিশ্চিত হওয়া যায়।

তেতো শসা খেলে কী ক্ষতি?
তেতো বা পচা শসা খেলে পেটের সমস্যা, হজমের গোলমাল এমনকি অস্বস্তি হতে পারে। তাই শুধু স্বাদ নয়, স্বাস্থ্যের জন্যও সঠিক শসা বেছে নেওয়া জরুরি।

গ্রীষ্মে শরীর ঠান্ডা রাখতে শসার চাহিদা বাড়লেও অনেক সময় তেতো শসা কিনে ফেলেন ক্রেতারা। বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু সহজ লক্ষণ দেখেই না কেটেই বোঝা যায় শসা মিষ্টি নাকি তেতো। আকার, রঙ, ওজন থেকে শুরু করে প্রান্ত পরীক্ষা—এই কয়েকটি কৌশল জানলেই সমস্যার সমাধান।













