Union Budget 2026: ২০২৬-এ কি পুরনো কর ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যাবে? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা

Union Budget 2026: ২০২৬-এ কি পুরনো কর ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যাবে? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা

কেন্দ্রীয় বাজেট মানেই করদাতাদের জন্য বড় অপেক্ষা। ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষ থেকে নতুন কর ব্যবস্থার বিকল্প চালু হওয়ার পর থেকেই পুরনো কর ব্যবস্থা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। এবার Union Budget 2026-এর আগে সেই প্রশ্ন আরও জোরালো—সরকার কি পুরনো কর ব্যবস্থার ইতি টানতে চলেছে?

কেন উঠছে পুরনো কর ব্যবস্থা বন্ধের প্রশ্ন

নতুন কর ব্যবস্থার অধীনে কম করহার, সরল স্ল্যাব এবং বেশি করমুক্ত আয়ের সুযোগ করদাতাদের আকর্ষণ করেছে। অনেক করদাতা দেখছেন, কোনও বিনিয়োগ বা ছাড় ছাড়াই তুলনামূলক কম কর দিতে হচ্ছে। এই কারণেই বাজেটে পুরনো কর ব্যবস্থা বাতিলের জল্পনা তৈরি হয়েছে।

বিশেষজ্ঞের মত: হঠাৎ পরিবর্তন ঠিক নয়

এই প্রসঙ্গে চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট সিদ্ধার্থ কেজরিওয়ালের মত, দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক পরিকল্পনার জন্য বারবার কর ব্যবস্থা বদলানো যুক্তিসঙ্গত নয়। যাঁরা ধারা ৮০সি, ৮০ডি-সহ বিভিন্ন করছাড়ের সুবিধা নিয়ে নিয়মিত বিনিয়োগ করেন, তাঁদের জন্য পুরনো কর ব্যবস্থা বজায় রাখা জরুরি। এতে আইটিআর দাখিলের ক্ষেত্রেও ধারাবাহিকতা থাকে।

পুরনো কর ব্যবস্থা কাদের জন্য সবচেয়ে লাভজনক

যাঁরা জীবনবিমা, পিপিএফ, ইএলএসএস, হোম লোন বা স্বাস্থ্য বিমায় বিনিয়োগ করে থাকেন, তাঁদের জন্য পুরনো কর ব্যবস্থাই বেশি লাভজনক।

ধারা ৮০সি-এর অধীনে বছরে সর্বোচ্চ ১.৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত করছাড়

হাউস রেন্ট অ্যালাউন্স (HRA), লিভ ট্রাভেল অ্যালাউন্স (LTA)-এর সুবিধা

এই সব ছাড়ের সুযোগ থাকায় নিয়মিত বিনিয়োগকারীদের জন্য পুরনো কর ব্যবস্থাই উপযুক্ত বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

নতুন কর ব্যবস্থা কারা বেছে নিতে পারেন

২০২৫ সালের বাজেট অনুযায়ী নতুন কর ব্যবস্থায় ১২.৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয় কার্যত করমুক্ত। অর্থাৎ, যাঁরা কর বাঁচানোর জন্য আলাদা করে বিনিয়োগ করতে চান না বা ৮০সি-সহ অন্যান্য ছাড়ের আওতায় পড়েন না, তাঁদের জন্য নতুন কর ব্যবস্থা সহজ ও লাভজনক বিকল্প হতে পারে।

১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করতে চলেছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। বাজেটের আগে করদাতাদের মধ্যে বড় প্রশ্ন—পুরনো কর ব্যবস্থা কি এবার পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাবে? নতুন কর ব্যবস্থার সুবিধা বাড়ায় এই জল্পনা আরও জোরালো হয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এখনই পুরনো কর ব্যবস্থা বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা কম।

Leave a comment