এক সময় শিল্প বিতর্কে উত্তাল ছিল সিঙ্গুর। সেই স্মৃতি উসকে দিয়েই ফের নতুন করে বিতর্ক শুরু হল প্রধানমন্ত্রীর সভাকে ঘিরে। সভাস্থল হিসেবে যে জমির নাম উঠে আসছে, সেই জমির মালিকদের একাংশের আপত্তি ঘিরে রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে উঠেছে। প্রতিবাদে সরব হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।
অনুমতি না দিয়েও সভা? অভিযোগ তৃণমূলের
সিঙ্গুরের বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী বেচারাম মান্নার অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রীর সভার জন্য যে জমি ব্যবহার করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে, সেই জমির মালিকদের অনেকেই স্পষ্টভাবে অনুমতি দেননি। তবু কীভাবে সেখানে সভা আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে শাসক শিবির।
২৬ জন জমির মালিকের লিখিত অভিযোগ
সূত্রের খবর, অন্তত ২৬ জন অনিচ্ছুক জমির মালিক ইতিমধ্যেই পঞ্চায়েত, বিডিও অফিস এবং থানায় লিখিত অভিযোগপত্র জমা দিয়েছেন। তাঁদের দাবি, তাঁদের জমি ব্যবহার করার জন্য কোনও সম্মতি নেওয়া হয়নি এবং জোর করে সভার প্রস্তুতি চলছে।
ইচ্ছুক বনাম অনিচ্ছুক—পুরনো ক্ষত নতুন করে উসকে উঠছে
সিঙ্গুর মানেই রাজ্য রাজনীতিতে ইচ্ছুক-অনিচ্ছুক বিতর্কের স্মৃতি। শিল্প প্রকল্প ঘিরে যে সংঘাত এক সময় রাজ্য রাজনীতির মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল, প্রধানমন্ত্রীর সভাকে কেন্দ্র করে সেই বিতর্কই নতুন করে সামনে চলে এসেছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহল।
প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
জমির মালিকদের অভিযোগ প্রশাসনের কাছেও পৌঁছেছে। তা সত্ত্বেও সভার প্রস্তুতি কীভাবে এগোচ্ছে, সেই প্রশ্ন তুলছে তৃণমূল। প্রশাসন শেষ পর্যন্ত কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেদিকেই নজর রয়েছে স্থানীয় বাসিন্দা ও রাজনৈতিক মহলের।
প্রধানমন্ত্রীর প্রস্তাবিত সভাকে কেন্দ্র করে সিঙ্গুরে আবারও মাথাচাড়া দিল ইচ্ছুক-অনিচ্ছুক বিতর্ক। তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, যে জমিতে সভা করার কথা, সেই জমির একাধিক মালিক অনুমতি দেননি। ইতিমধ্যেই অনিচ্ছুক জমির মালিকরা পঞ্চায়েত ও প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন বলে দাবি।











