হারারে স্পোর্টস ক্লাবে অনুষ্ঠিত অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ২০২৬-এর ফাইনালে বৈভব সূর্যবংশী ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৮০ বলে ১৭৫ রানের ইনিংস খেলেন, যেখানে ১৫টি চার ও ১৫টি ছক্কা ছিল। তার এই ইনিংসের ভিত্তিতে ভারত ১০০ রানে ম্যাচ জিতে শিরোপা অর্জন করে।
হারারে স্পোর্টস ক্লাবে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ফাইনাল ম্যাচে বৈভব সূর্যবংশী ৮০ বলে ১৭৫ রান করেন। তার ইনিংসে ১৫টি চার ও ১৫টি ছক্কা অন্তর্ভুক্ত ছিল। এই ইনিংসের ভিত্তিতে ভারত ১০০ রানে ম্যাচ জিতে ট্রফি জয় করে।
এই পারফরম্যান্সের পর ক্রিকেট ভক্ত ও বিশেষজ্ঞরা তার আন্তর্জাতিক অভিষেক না হওয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন।
২০২০ সালে আইসিসি তরুণ খেলোয়াড়দের শারীরিক ও মানসিক সুরক্ষার জন্য ন্যূনতম ১৫ বছর বয়সের নিয়ম প্রণয়ন করে। বৈভব সূর্যবংশী ২৭ মার্চ ২০১১ সালে বিহারে জন্মগ্রহণ করেন এবং বর্তমানে এই বয়সসীমা অতিক্রম করেছেন। ফলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলার ক্ষেত্রে এই নিয়ম আর তার জন্য বাধা নয়

আইপিএল ২০২৫-এ তিনি ৭ ম্যাচে ২৫২ রান করেন, যেখানে ১টি শতক ও ১টি অর্ধশতক ছিল। গুজরাটের বিরুদ্ধে এক ম্যাচে তিনি ৩৫ বলে শতক করেন এবং ৩৮ বলে ১০১ রান করেন। এই ইনিংস তাকে আইপিএলে দ্রুততম শতককারী ভারতীয় ব্যাটার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে।
ঘরোয়া টি২০ ক্রিকেটে তিনি ১৮ ম্যাচে ২০৪.৩৭ স্ট্রাইক রেটে ৭০১ রান করেছেন, যেখানে ৩টি শতক ও ১টি অর্ধশতক রয়েছে। লিস্ট এ ক্রিকেটে ৮ ম্যাচে তিনি ৩৫৩ রান করেন, যার মধ্যে ১টি শতক ও ১টি অর্ধশতক অন্তর্ভুক্ত। ফার্স্ট ক্লাস ক্রিকেটে ৮ ম্যাচে ১২ ইনিংসে তিনি ২০৭ রান করেন।
তার এই পরিসংখ্যান ধারাবাহিক পারফরম্যান্সকে নির্দেশ করে এবং ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের মতে তার ব্যাটিং ও খেলার বোঝাপড়া আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কার্যকর হতে পারে।










