৩০ কোটি টাকার প্রতারণায় গ্রেফতার পরিচালক বিক্রম ভট্ট, রাজস্থান পুলিশের বড় অভিযান

৩০ কোটি টাকার প্রতারণায় গ্রেফতার পরিচালক বিক্রম ভট্ট, রাজস্থান পুলিশের বড় অভিযান

বিক্রম ভট্ট গ্রেফতার: রবিবার মুম্বইতে শ্যালিকার বাড়ি থেকে পরিচালক বিক্রম ভট্টকে গ্রেফতার করেছে রাজস্থান ও মুম্বই পুলিশের বিশেষ দল। উদয়পুরের এক চিকিৎসকের অভিযোগের ভিত্তিতে ৩০ কোটি টাকার প্রতারণায় তাঁর নাম জড়িয়ে রয়েছে। অভিযোগ, বায়োপিক তৈরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধাপে ধাপে কোটি কোটি টাকা নেওয়া হয়। অভিযুক্তদের তালিকায় স্ত্রী শ্বেতাম্বরি ও কন্যা কৃষ্ণার নামও রয়েছে। রাজস্থান পুলিশ তাঁকে ট্রানজিট রিমান্ডে উদয়পুর নিয়ে যাওয়ার আবেদন জানিয়েছে।

৩০ কোটি টাকার প্রতারণার গুরুতর অভিযোগ

উদয়পুরের চিকিৎসক অজয় মুরদিয়া অভিযোগ করেন, বিক্রম ভট্ট তাঁর প্রয়াত স্ত্রীকে নিয়ে বায়োপিক বানানোর প্রস্তাব দেন এবং ২০০ কোটি টাকার লাভের আশ্বাস দেখিয়ে মোট ৩০ কোটি টাকা নেন। অভিযোগ অনুযায়ী, পরিকল্পনা করে ধাপে ধাপে টাকা নেওয়া হয়।পুলিশ জানায়, ডিজিটাল লেনদেন, বার্তা-যোগাযোগসহ বেশ কিছু প্রমাণ তাদের হাতে রয়েছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে সাত দিন আগেই অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিস জারি করা হয়েছিল।

শ্যালিকার বাড়ি থেকে গ্রেফতার, পুলিশের যৌথ অভিযান

রবিবার মুম্বই ও রাজস্থান পুলিশের দল হানা দিয়ে শ্যালিকার বাড়ি থেকে বিক্রম ভট্টকে আটক করে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, তিনি কয়েকদিন ধরে লোকেশন বদলাচ্ছিলেন, তাই নজরদারি বাড়ানো হয়েছিল।গ্রেফতারের পর তাঁকে ব্যান্ড্রা কোর্টে তোলা হয়, যেখানে রাজস্থান পুলিশ ট্রানজিট রিমান্ডের আবেদন করে।

স্ত্রী-কন্যা-সহ মোট সাতজন অভিযুক্ত

এই মামলায় শুধু বিক্রম ভট্ট নন, তাঁর স্ত্রী শ্বেতাম্বরি ও কন্যা কৃষ্ণার নামও রয়েছে। তদন্তকারীরা বলছেন, আর্থিক নথি ও ডিজিটাল যোগাযোগে আরও কয়েকজনের সংশ্লিষ্টতার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

২০২৪ সালের বৃন্দাবন স্টুডিও বৈঠক তদন্তের কেন্দ্রে

ড. মুরদিয়ার অভিযোগ, ২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে দীনেশ কাটারিয়ার মাধ্যমে তাঁর প্রথম পরিচয় হয় বিক্রম ভট্টের সঙ্গে। মুম্বইয়ের বৃন্দাবন স্টুডিওতেই বায়োপিক নিয়ে প্রথম আলোচনা হয়।সেই বৈঠকের পর থেকেই পরিকল্পনা অনুযায়ী টাকা নেওয়া শুরু হয়েছিল বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

বলিউড পরিচালক বিক্রম ভট্টকে ৩০ কোটি টাকার প্রতারণার মামলায় মুম্বই ও রাজস্থান পুলিশের যৌথ অভিযানে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযোগ, উদয়পুরের এক চিকিৎসকের কাছ থেকে বায়োপিক তৈরির নাম করে মোটা অঙ্কের টাকা নেওয়া হয়েছিল। এই মামলায় তাঁর স্ত্রী-সমেত মোট সাত জন অভিযুক্ত।

Leave a comment