২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনে উত্তরবঙ্গের ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি কেন্দ্র হয়ে উঠল রাজ্যের সবচেয়ে আলোচিত কেন্দ্রগুলির একটি। কারণ এখানে শুধু রাজনৈতিক লড়াই নয়, মুখোমুখি হয়েছিল মা ও ছেলে। শেষ পর্যন্ত বিপুল ব্যবধানে জয় ছিনিয়ে নিয়ে নজির গড়লেন শিখা চট্টোপাধ্যায়।

প্রথম রাউন্ড থেকেই এগিয়ে, বাড়ল ব্যবধান
ভোট গণনার শুরু থেকেই স্পষ্ট হয়ে যায় ফলাফলের দিশা। প্রথম রাউন্ড থেকেই এগিয়ে পড়েন শিখা চট্টোপাধ্যায়। প্রতিটি রাউন্ডের সঙ্গে বাড়তে থাকে ব্যবধান, যা শেষমেশ গিয়ে দাঁড়ায় প্রায় এক লক্ষ ভোটে—যা এই কেন্দ্রের ইতিহাসে অন্যতম বড় জয়।
‘এটা মোদীর জয়’—জয়ের কৃতিত্ব দিলেন নেতৃত্বকে
জয়ের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শিখা বলেন, এই জয় শুধুমাত্র তাঁর ব্যক্তিগত নয়, বরং নরেন্দ্র মোদী-র নেতৃত্ব এবং বিজেপির আদর্শের জয়। তাঁর এই মন্তব্যে দলীয় ঐক্য ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের প্রভাব স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

কর্মীদের উচ্ছ্বাসে উৎসবের আবহ
গণনা কেন্দ্র থেকে বেরোতেই গেরুয়া আবির, ফুলের মালা এবং স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে এলাকা। “জয় শ্রী রাম” ধ্বনিতে কেঁপে ওঠে চারদিক। কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে আনন্দে মেতে ওঠেন নবনির্বাচিত বিধায়ক।
সম্পর্ক নয়, আদর্শই বড়—বার্তা স্পষ্ট
এই নির্বাচনের অন্যতম তাৎপর্যপূর্ণ দিক ছিল পারিবারিক সম্পর্কের ঊর্ধ্বে উঠে লড়াই। শিখা স্পষ্ট ভাষায় জানান, “দল দলের জায়গায়, সম্পর্ক নিজের জায়গায়।” তাঁর এই অবস্থানই ভোটারদের মধ্যে শক্ত বার্তা দিয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

উত্তরবঙ্গে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ
এই বিপুল জয় শুধু একটি কেন্দ্রের ফল নয়, বরং উত্তরবঙ্গের রাজনৈতিক মানচিত্রে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত। বিশেষজ্ঞদের মতে, স্থানীয় ইস্যুর পাশাপাশি জাতীয় নেতৃত্বের প্রভাবও এই ফলাফলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে।

ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি কেন্দ্রে এক লক্ষ ভোটের বিশাল ব্যবধানে জয় বিজেপি প্রার্থী শিখা চট্টোপাধ্যায়ের। পারিবারিক সম্পর্ককে ছাপিয়ে রাজনৈতিক আদর্শের লড়াইয়ে এই ফলাফল নতুন বার্তা দিল রাজ্য রাজনীতিতে।











