হাড় কাঁপানো শীতের দাপট ক্রমেই জাঁকিয়ে বসছে বাংলায়। ডিসেম্বরের মাঝামাঝিতেই তাপমাত্রার পারদ স্বাভাবিকের নিচে নেমে যাওয়ায় দক্ষিণ ও উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় ঠান্ডার তীব্রতা বেড়েছে। আগামী কয়েক দিন এই শীত আরও বাড়বে বলেই ইঙ্গিত দিচ্ছে আবহাওয়া দফতর।
![]()
দক্ষিণবঙ্গে শীতের থাবা, পুরুলিয়ায় কনকনে ঠান্ডা
দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে ইতিমধ্যেই শীতের প্রকোপ স্পষ্ট। বিশেষ করে পুরুলিয়া জেলায় কনকনে ঠান্ডায় নাজেহাল সাধারণ মানুষ। প্রতিদিনই একটু একটু করে কমছে তাপমাত্রা। ভোরের দিকে ঘন কুয়াশার চাদরে ঢেকে যাচ্ছে গোটা জেলা। যদিও বেলা বাড়লে হালকা রোদের দেখা মিলছে, তাতে শীতের দাপট খুব একটা কমছে না।
পুরুলিয়ার তাপমাত্রা কত নামতে পারে?
হাওয়া অফিস সূত্রে জানা গিয়েছে, পুরুলিয়ায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা প্রায় ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে থাকলেও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নামতে পারে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত। আবহাওয়ার এই বদলের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শীতের আমেজ আরও জোরালো হচ্ছে জেলাজুড়ে।
![]()
দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় কুয়াশার দাপট
শুধু পুরুলিয়া নয়, দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই কুয়াশার প্রভাব দেখা যাচ্ছে। উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়া—এই সব জেলায় সকালের দিকে কুয়াশার দাপট বেশি থাকবে। যদিও আপাতত ঘন কুয়াশা নিয়ে আলাদা কোনও সতর্কতা জারি হয়নি।
![]()
উত্তরবঙ্গে আরও কড়া শীতের ইঙ্গিত
উত্তরবঙ্গেও শীতের প্রভাব বাড়ছে। দার্জিলিং-সহ পার্বত্য এলাকায় আগামী সাত দিনে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৪ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকতে পারে। শীতল হাওয়ার সঙ্গে ঘন কুয়াশার সতর্কতাও রয়েছে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে। ফলে পাহাড়ি এলাকায় ঠান্ডার তীব্রতা আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা।
![]()
দক্ষিণবঙ্গ ও উত্তরবঙ্গে দ্রুত নামছে তাপমাত্রার পারদ। কনকনে ঠান্ডা, শীতল হাওয়া ও কুয়াশার দাপটে জুবুথবু জনজীবন। পুরুলিয়া থেকে দার্জিলিং—প্রায় সব জেলাতেই শীতের প্রভাব বাড়ছে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস।










