রাজ্যের Yuva Sathi Scheme ঘিরে জোর চর্চা শুরু হয়েছে জেলা থেকে শহরে। ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ১ এপ্রিল থেকেই উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকতে শুরু করবে। ভোটের আগে এই আর্থিক সহায়তা ঘিরে বেকার যুবক-যুবতীদের মধ্যে উৎসাহ স্পষ্ট।

১ এপ্রিল থেকে সরাসরি ব্যাঙ্কে টাকা
সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেই এপ্রিল মাসের প্রথম দিন থেকে ভাতার অর্থ সরাসরি উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে। নির্দিষ্ট যোগ্যতা পূরণ করলেই মাসিক নির্ধারিত অঙ্ক পাওয়া যাবে। ফলে বহু বেকার যুবক-যুবতীর কাছে এটি আর্থিক স্বস্তির বার্তা।
হুগলিতে শিবিরে ভিড়
হুগলি জেলার বিভিন্ন প্রান্তে ইতিমধ্যেই শিবির শুরু হয়েছে। চুঁচুড়ার রবীন্দ্র ভবন, চুঁচুড়া–এ সহায়তা শিবিরে সকাল থেকেই লম্বা লাইন দেখা যায়। ফর্ম ফিলআপ থেকে নথি যাচাই—সবকিছুতেই সাহায্য করছেন পুর প্রতিনিধিরা। জানা গিয়েছে, টানা দশ দিন ধরে চলবে এই শিবির।
কারা পাবেন এই ভাতা?
২১ থেকে ৪০ বছর বয়সী মাধ্যমিক বা সমতুল পাশ বেকার যুবক-যুবতীরাই এই প্রকল্পের আওতায় আবেদন করতে পারবেন। শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রমাণপত্র, আধার, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের বিবরণসহ নির্দিষ্ট নথি জমা দিতে হচ্ছে। আবেদনকারীরা সকাল থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে ফর্ম জমা দিচ্ছেন।

‘প্রস্তুতির খরচে কাজে লাগবে’
অনেক আবেদনকারী জানাচ্ছেন, চাকরির প্রস্তুতি, ফর্ম ফিলআপ ফি বা যাতায়াত খরচ মেটাতে এই টাকা কার্যকর ভূমিকা নেবে। কলেজপড়ুয়া ও উচ্চশিক্ষায় যুক্ত অনেকেই বলছেন, নিয়মিত আর্থিক সহায়তা তাঁদের পড়াশোনার চাপ কিছুটা কমাবে।
‘চাকরি প্রয়োজন, ভাতার সঙ্গে সম্পর্ক নেই’
তবে সবার মত এক নয়। কেউ কেউ স্পষ্ট জানাচ্ছেন, তাঁদের প্রধান লক্ষ্য চাকরি। ভাতা পাওয়া গেলে ভালো, কিন্তু সেটি কর্মসংস্থানের বিকল্প হতে পারে না। এক পিএইচডি গবেষকও লাইনে দাঁড়িয়ে আবেদন জমা দেন। তাঁর বক্তব্য, “চাকরি প্রয়োজন, কিন্তু ভাতার সঙ্গে তার সরাসরি সম্পর্ক নেই।” আবার এক স্নাতক যুবকের কথায়, “চাকরি চাই, তবে ভাতা পেলে নিতে আপত্তি নেই।

১ এপ্রিল থেকে রাজ্যের যুবসাথী প্রকল্পের ভাতা উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে ঢুকতে শুরু করবে। ২১ থেকে ৪০ বছর বয়সী মাধ্যমিক পাস বেকার যুবক-যুবতীরা শিবিরে লাইন দিচ্ছেন। কেউ বলছেন প্রস্তুতির খরচে সাহায্য হবে, কেউ বলছেন চাকরি দরকার—ভাতার সঙ্গে তার সম্পর্ক নেই।









