চলচ্চিত্র ও থিয়েটার জগতের পরিচিত মুখ হলেও বাস্তব জীবনে এই অভিনেতা ও তাঁর কন্যার সম্পর্ক আজ প্রায় বিচ্ছিন্ন। বাবার পথ অনুসরণ করে অভিনয়ে এলেও মেয়ের জীবনে বাবার উপস্থিতি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কমে গেছে।
ছোটবেলা থেকেই তৈরি হয় দূরত্ব
বাবা-মায়ের বিচ্ছেদের পর থেকেই অভিনেত্রী মায়ের সঙ্গে বড় হতে থাকেন। বাবার কাজের ব্যস্ততা ও আলাদা সংসার—সব মিলিয়ে ধীরে ধীরে সম্পর্কের দূরত্ব বাড়তে থাকে। সময়ের সঙ্গে সেই দূরত্ব আর মেরামত হয়নি।
অভিনয়ের টানে একই পথে
মেয়েও বাবার মতোই অভিনয় জগতে নিজের জায়গা তৈরি করেন। ছোটবেলায় বাবার কাজ দেখে অনুপ্রাণিত হলেও ব্যক্তিগত জীবনে তাঁদের যোগাযোগ অনেকটাই সীমিত হয়ে পড়ে।
মেয়ের বক্তব্যে উঠে এল আবেগ
এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী জানান, বাবার কাজের কারণে তাঁকে দীর্ঘ সময় বাইরে থাকতে হত। সেই কারণে তিনি মূলত মায়ের কাছেই বড় হয়েছেন। তবে ছোটবেলায় বাবার কাজের তিনি বড় ভক্ত ছিলেন এবং তাঁর নাটক ও অভিনয় গভীর আগ্রহ নিয়ে দেখতেন।
সম্পর্কের টানাপোড়েন
সময়ের সঙ্গে বাবা ও মেয়ের সম্পর্ক আর আগের মতো ঘনিষ্ঠ থাকেনি। দুইজনই নিজেদের জীবন ও কেরিয়ারে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। যদিও মাঝে মাঝে পারিবারিক অনুষ্ঠানে দেখা হয়, তবুও সম্পর্ক আগের অবস্থায় ফেরেনি।
বাবার প্রতি সম্মান এখনও অটুট
দূরত্ব থাকা সত্ত্বেও অভিনেত্রী স্পষ্ট করেছেন, বাবার প্রতি তাঁর শ্রদ্ধা ও গর্ব আজও অটুট। একজন শিল্পী হিসেবে বাবার অবদান ও পরিশ্রমকে তিনি অত্যন্ত সম্মানের চোখে দেখেন।
একজন খ্যাতনামা অভিনেতা ও তাঁর অভিনেত্রী কন্যা—দুজনেই একই পেশায় সফল হলেও ব্যক্তিগত জীবনে তাঁদের সম্পর্ক বহুদিন ধরেই টানাপোড়েনে। ছোটবেলার বিচ্ছেদ থেকে শুরু করে আলাদা জীবনযাপন—সব মিলিয়ে বাবা-মেয়ের দূরত্ব ক্রমশ বেড়েছে।









