নরমাল ডেলিভারি ও ঐশ্বর্যের দৃঢ়তা
ঐশ্বর্য ও অভিষেক বচ্চন ২০০৭ সালে বিবাহিত হন, এবং ২০১১ সালে তাদের কন্যা আরাধ্যা জন্মগ্রহণ করেন। অমিতাভ বচ্চন পুরনো সাক্ষাৎকারে জানান, ঐশ্বর্য দীর্ঘ সময় ধরে তীব্র প্রসব বেদনা সহ্য করেছিলেন, কিন্তু জেদ ধরে নরমাল ডেলিভারির পথ বেছে নিয়েছিলেন।

অমিতাভের প্রশংসা ও সম্মান
অমিতাভ বলেন, “ওকে সংগ্রাম করতে হয়েছিল কিন্তু আমি তাঁর প্রশংসা করি। সে কোনও এপিডুরাল বা পেনকিলার ব্যবহার করেননি।” এই বক্তব্য প্রকাশ করে তিনি তাঁর পরিবারের মহিলাদের প্রতি শ্রদ্ধা ও স্নেহ প্রদর্শন করেন।
মিথ্যা সংবাদ ও প্রতিক্রিয়া
আরাধ্যার জন্মের অনেক আগেই, ২০১০ সালে একটি ট্যাবলয়েড মিথ্যা প্রতিবেদন প্রকাশ করে, যা ঐশ্বর্যের গর্ভধারণ নিয়ে জল্পনা সৃষ্টি করেছিল। অমিতাভ ব্লগ পোস্টে লিখেছিলেন, “এই নিবন্ধটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, সংবেদনশীল এবং সাংবাদিকতার সর্বনিম্ন মানের।”

পরিবারের প্রতি অটল স্নেহ
অমিতাভ ব্লগে আরও লিখেছেন, “ঐশ্বর্য আমার মেয়ে, একজন মহিলা, আমার বাড়ির একজন অংশ। যদি কেউ তাকে নিয়ে অবমাননাকর কথা বলে, আমি আমার শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত তার জন্য লড়াই করব।”

আরাধ্যার জন্মদিনের শুভেচ্ছা
গত সপ্তাহে আরাধ্যা ১৪ বছর পূর্ণ করেছেন। অমিতাভ তাঁর ব্যক্তিগত ব্লগে মর্মস্পর্শী বার্তা দিয়ে পরিবারের জন্য আশীর্বাদ ও স্নেহ ভাগ করেছেন। তিনি লিখেছেন, “ছোট্ট আরাধ্যার প্রাক্কালে আশীর্বাদ.. আমাদের ভিতরের শিশুটি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বেড়ে ওঠে এবং আমরা তাদের জন্যও সর্বোচ্চ কামনা করি।”

অমিতাভ বচ্চনের একটি পুরনো সাক্ষাৎকার অনলাইনে ভাইরাল হয়েছে, যেখানে তিনি বউমা ঐশ্বর্য রাই বচ্চনের প্রসববেদন ও নরমাল ডেলিভারির গল্প শেয়ার করেছেন। অমিতাভ জানান, ঐশ্বর্য কোনও পেনকিলার বা এপিডুরাল ছাড়া ২–৩ ঘণ্টা ধরে প্রসবের কষ্ট সহ্য করেছিলেন।













