বারাণসীতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বাবা রামদেব সনাতন ধর্ম এবং বিশ্বের পরিসরে ভারতের ভূমিকা নিয়ে বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, “সনাতনকে গালियां দেওয়ালোঁ কি অন্ত্যেষ্টি হো চুকি হ্যায়।”
অনুষ্ঠানে তিনি আরও বলেন, আগামী সময়ে ভারত বিশ্বগুরু হবে এবং ভারতীয় সংস্কৃতি পুরো বিশ্বকে দিশা দেখাবে। তাঁর বক্তব্যের পর অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত মানুষ হাততালি দেন।
বারাণসীতে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিপুল সংখ্যক মানুষের উপস্থিতি ছিল। মঞ্চ থেকে বক্তব্য দেওয়ার সময় বাবা রামদেব যোগের গুরুত্ব নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা করেন।
তিনি বলেন, যোগ শুধুমাত্র শরীরকে সুস্থ রাখার উপায় নয়, এটি মানসিক ও আধ্যাত্মিক শক্তিও প্রদান করে। বক্তব্যের মাঝেই তিনি উপস্থিত মানুষদের কয়েকটি যোগাসন এবং প্রাণায়াম করান।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত মানুষ বাবা রামদেবের সঙ্গে যোগাভ্যাসে অংশ নেন। বহু মানুষ মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করে সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করেন।
বারাণসী-কে উত্তর প্রদেশের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং সেখানে নিয়মিতভাবে বড় আধ্যাত্মিক ও যোগ বিষয়ক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়ে থাকে।
নিজের বক্তব্যে বাবা রামদেব ভারতীয় ঐতিহ্য, আয়ুর্বেদ এবং সংস্কৃতি নিয়েও আলোচনা করেন। তিনি বলেন, ভারতের পরিচয় তার আধ্যাত্মিক শক্তি এবং জীবনদর্শনের মধ্যে নিহিত।
স্থানীয় মানুষের বক্তব্য অনুযায়ী, অনুষ্ঠানে বিপুল সংখ্যক যুবক, মহিলা এবং প্রবীণ অংশগ্রহণ করেন। যোগ শিবির এবং প্রবচন ঘিরে মানুষের মধ্যে উৎসাহ দেখা যায়।
সামাজিক মাধ্যমেও বাবা রামদেবের বক্তব্য দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। কিছু মানুষ তাঁর বক্তব্যের সমর্থন করছেন, অন্যদিকে কয়েকজন ব্যবহারকারী এ নিয়ে ভিন্ন প্রতিক্রিয়াও জানাচ্ছেন।
বারাণসীতে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে নিরাপত্তার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছিল। প্রশাসন এবং আয়োজকদের দল পুরো অনুষ্ঠানের উপর নজরদারি বজায় রেখেছিল।
বিশেষজ্ঞদের মতে, যোগ এবং আধ্যাত্মিক কর্মসূচির সমাজে ইতিবাচক প্রভাব পড়ে, তবে জনসমক্ষে দেওয়া বক্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক ও সামাজিক আলোচনা শুরু হয়।
বর্তমানে বাবা রামদেবের এই বক্তব্য আলোচনাের বিষয় হয়ে উঠেছে এবং অনুষ্ঠানের ভিডিও দ্রুত সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করা হচ্ছে।











