চারপেয়েদের দুষ্টুমিষ্টি কেরামতিতে মাতল বহরমপুর! ২৮ বছর পর শহরে ফিরল গ্র্যান্ড ডগ শো

চারপেয়েদের দুষ্টুমিষ্টি কেরামতিতে মাতল বহরমপুর! ২৮ বছর পর শহরে ফিরল গ্র্যান্ড ডগ শো

Dog Show: নবাবের শহর বহরমপুরে যেন ফিরে এল হারানো উৎসবের রং। প্রায় তিন দশক পর শহরে আয়োজন করা হল গ্র্যান্ড ডগ শো। বিভিন্ন প্রজাতির সারমেয়র দুষ্টুমিষ্টি কাণ্ডকারখানা আর মালিকদের উচ্ছ্বাসে জমজমাট হয়ে উঠল নবারুণ সংঘের মাঠ।

২৮ বছরের অপেক্ষার অবসান

বহু বছর ধরে কলকাতা বা মালদহের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল বড় ডগ শোয়ের আয়োজন। সেই ধারা ভেঙে দীর্ঘ ২৮ বছর পর বহরমপুরে এমন মেগা ইভেন্ট হওয়ায় পোষ্যপ্রেমীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো।

শতাধিক সারমেয়, ২৫টি প্রজাতি

এই অল ব্রিড ডগ শোতে অংশ নেয় মুর্শিদাবাদের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা পোষ্যপ্রেমীরা। প্রায় ২৫টি ভিন্ন ভিন্ন প্রজাতির অন্তত শতাধিক সারমেয় নিয়ে জমে ওঠে প্রতিযোগিতার ময়দান।

বড় ও ছোট—সবাই নজর কাড়ে

বড় প্রজাতির মধ্যে ছিল ক্যান কর্সো, সেন্ট বার্নার্ড, ইংলিশ মাস্টিভ, জার্মান শেফার্ড, রটওয়াইলার, ল্যাব্রাডর ও গোল্ডেন রিট্রিভার। পাশাপাশি পোমেরিয়ান, স্পিটজ, কালচার পম, ককার স্প্যানিয়েল, শিৎজু ও পাগের মতো ছোট প্রজাতির সারমেয়রাও দর্শকদের মন জয় করে নেয়।

কে হল সেরা?

প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করে ক্যান কর্সো প্রজাতির ‘প্যান্থর’। তৃতীয় স্থান পায় সেন্ট বার্নার্ড ‘টার্জন’। দুটি সারমেয়ই বহরমপুর খাগড়ার বাসিন্দা সৌমজিৎ বিশ্বাসের বাড়িতে লালিত-পালিত হওয়ায় তাঁর খুশির সীমা ছিল না।

কীভাবে বিচার হল?

শুধু সৌন্দর্য নয়, বিচার করা হয় সারমেয়র শারীরিক সুস্থতা, পরিচর্যার মান, স্বভাব ও প্রজাতিগত বৈশিষ্ট্য। অভিজ্ঞ বিচারকদের পর্যবেক্ষণেই নির্ধারিত হয় বিজয়ীরা।

পুরস্কারের চেয়েও বড় অনুভূতি

অংশগ্রহণকারীদের মতে, এই মঞ্চে আসার উদ্দেশ্য কেবল পুরস্কার জেতা নয়। তাঁদের কাছে পোষ্যরা পরিবারের সদস্যের মতো। একসঙ্গে সময় কাটানো, অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়াই এই দিনের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।

দীর্ঘ ২৮ বছর পর মুর্শিদাবাদের বহরমপুরে অনুষ্ঠিত হল অল ব্রিড গ্র্যান্ড ডগ শো। নবারুণ সংঘের মাঠে আয়োজিত এই মেগা ইভেন্টে শতাধিক সারমেয় ও হাজারো দর্শকের উপস্থিতিতে উৎসবের আবহ তৈরি হয়।

Leave a comment