একেই বলে গাছে তুলে মই কেড়ে নেওয়া! যাকে বন্ধু ভেবে পাশে দাঁড়াবে বলে আশা করেছিল বাংলাদেশ, সেই পাকিস্তানই শেষ পর্যন্ত তাদের ক্রিকেট ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত করে দিল। আইসিসির সঙ্গে সংঘাতে প্রথমে জোট বাঁধলেও, চাপে পড়ে একাই সরে গেল পাকিস্তান। মাঝপথে পড়ে বিশ্বকাপের স্বপ্ন ভেঙে চুরমার বাংলাদেশের।
ভারত–বাংলাদেশ টানাপোড়েন থেকেই সূত্রপাত
সম্প্রতি বাংলাদেশে একাধিক ভারতবিরোধী স্লোগান এবং রাজনৈতিক উত্তেজনার প্রভাব পড়ে ক্রিকেটেও। এরই মাঝে মুস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএলে কেকেআরের হয়ে খেলার অনুমতি না দেওয়ায় ক্ষোভ বাড়ে। নিরাপত্তার অজুহাতে ভারত আয়োজিত টি-২০ বিশ্বকাপে খেলতে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ।
পাকিস্তানের উস্কানি ও মিথ্যে আশ্বাস
এই সিদ্ধান্তে ইন্ধন জোগায় পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (PCB)। তারা প্রকাশ্যে জানায়, বাংলাদেশকে জোর করলে তারাও বিশ্বকাপ বয়কট করবে। এমনকি আইসিসির ভোটাভুটিতে বাংলাদেশের পক্ষে একমাত্র ভোট দেয় পাকিস্তান—যা তখন ‘বন্ধুত্বের নিদর্শন’ বলেই ধরা হয়েছিল।
আইসিসির কড়া বার্তা, বদলে যায় ছবি
কিন্তু পরিস্থিতি বদলায় যখন আইসিসি কড়া অবস্থান নেয়। বিশ্বকাপ বয়কট করলে বড়সড় শাস্তির ইঙ্গিত দিতেই দ্রুত পিছু হটে পাকিস্তান। বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করে দেয় তারা—আর একা পড়ে যায় বাংলাদেশ।
বিশ্বকাপের দরজা বন্ধ, সুযোগ স্কটল্যান্ডের
পাকিস্তানের সরে যাওয়ার ফলে আর কোনও সমর্থন না পেয়ে বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়ে বাংলাদেশ। তাদের জায়গায় বিশ্বকাপে সুযোগ পায় স্কটল্যান্ড। স্বপ্নভঙ্গ হয় গোটা বাংলাদেশের ক্রিকেটার ও সমর্থকদের।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রশ্নের মুখে বাংলাদেশ
এই ঘটনার পর শুধু বিশ্বকাপ নয়, আইসিসির সম্ভাব্য কড়া নজরদারির মুখেও পড়তে পারে বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট মহলে তৈরি হয়েছে সমালোচনা ও হাসি-ঠাট্টার পরিবেশ। আর সব কিছুর নেপথ্যে মূল দায় কার—সে প্রশ্নেই বারবার উঠে আসছে পাকিস্তানের নাম।
আইসিসি ও বিশ্বকাপ ইস্যুতে পাকিস্তানের আশ্বাসে ভরসা করে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু শেষ মুহূর্তে পিছু হটে পাকিস্তান, কড়া অবস্থান নেয় আইসিসি। ফলাফল—বিশ্বকাপের মঞ্চ থেকে বাদ পড়ল বাংলাদেশ, সুযোগ পেল স্কটল্যান্ড। উঠছে গভীর ষড়যন্ত্রের অভিযোগ।










