মায়াপুরের ইসকন দর্শন বা নবদ্বীপে তীর্থভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন? তাহলে সুখবর। বাঁকুড়া থেকে নবদ্বীপ পর্যন্ত সরাসরি বাস পরিষেবা এখন নিয়মিত ও সময়নিষ্ঠ। দুর্গাপুর ও বর্ধমান হয়ে ৬–৭ ঘণ্টার এই যাত্রা কম খরচে আরামদায়ক ভ্রমণের সুযোগ দিচ্ছে পর্যটক ও ভক্তদের।
রুট ও যাত্রাসময়: ৬–৭ ঘণ্টায় গন্তব্য
এই রুটের বাসগুলি প্রধানত দুর্গাপুর ও বর্ধমান (নবাবহাট) হয়ে চলাচল করে। ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে একাধিক বাস পাওয়া যায়। ট্রাফিক পরিস্থিতি অনুযায়ী মোট সময় লাগে আনুমানিক ৬ থেকে ৭ ঘণ্টা। ফলে সকালে রওনা দিলে দুপুর বা বিকেলের মধ্যেই নবদ্বীপ পৌঁছনো সম্ভব।
জনপ্রিয় বাস ‘DULHAN’: ভোর ৪:১০-এ ছাড়ে
“DULHAN (দুলহান)” বাসটি ভোর ৪:১০ মিনিটে বাঁকুড়া বাসস্ট্যান্ড থেকে রওনা দেয়। বেলিয়াতোড়, বড়জোড়া, দুর্গাপুর স্টেশন, মুচিপাড়া, পানাগড়, বুদবুদ ও গলসি-সহ একাধিক স্টপেজে যাত্রী তোলে। দুর্গাপুর ও বর্ধমান হয়ে প্রায় সকাল ১০টার মধ্যে নবদ্বীপ পৌঁছে যায়। ভোরবেলা যাত্রা শুরু করতে চাইলে এই বাসটি যাত্রীদের প্রথম পছন্দ।
সকালবেলার ‘SWEETY’: দুপুরে পৌঁছনোর সুবিধা
“SWEETY (সুইটি)” নামে আরেকটি বাস সকাল ৯:১৫ থেকে ৯:৪০-এর মধ্যে বাঁকুড়া থেকে ছাড়ে। একই রুটে দুর্গাপুর ও বর্ধমান হয়ে এটি বিকেল ২:৪৫ থেকে ৪টার মধ্যে নবদ্বীপ পৌঁছে যায়। যারা একটু পরে রওনা দিতে চান, তাঁদের জন্য এই বাসটি সুবিধাজনক বিকল্প।
নবদ্বীপ পৌঁছে যাতায়াতের সুবিধা
নবদ্বীপে পৌঁছে মায়াপুর ইসকন সহ বিভিন্ন মন্দির, আশ্রম ও ধর্মীয় স্থানে যেতে স্থানীয় টোটো, রিকশা ও ট্যাক্সি সহজেই পাওয়া যায়। সাধারণত সকালবেলার বাসে গিয়ে দিনভর দর্শন সেরে সন্ধ্যার মধ্যে ফেরার ব্যবস্থাও করা যায়।
ফেরার বাস: ভোর থেকে সন্ধ্যা
নবদ্বীপ থেকে বাঁকুড়া ফেরার জন্যও একাধিক বাস রয়েছে। ভোর ২:৫০–৩:০০টার মধ্যে প্রথম বাস ছাড়ে। বাসগুলি বর্ধমান ও দুর্গাপুর হয়ে সন্ধ্যার দিকে বাঁকুড়ায় পৌঁছে দেয়। দিনভর বিভিন্ন সময়ে ফেরার বাস থাকায় যাত্রীরা নিজেদের সুবিধামতো পরিকল্পনা করতে পারেন।
বাঁকুড়া থেকে নবদ্বীপ ও মায়াপুর ভ্রমণ এখন আরও সহজ। ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত একাধিক বাস দুর্গাপুর ও বর্ধমান হয়ে নিয়মিত চলাচল করছে। জনপ্রিয় ‘দুলহান’ ও ‘সুইটি’ বাস ৬–৭ ঘণ্টায় গন্তব্যে পৌঁছে দেয়। সাশ্রয়ী ভাড়ায় তীর্থযাত্রী ও পর্যটকদের জন্য এই পরিষেবা অত্যন্ত সুবিধাজনক।













