ক্রিসমাস মানেই কেক, আর সেই কেক যদি অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি হয়—তাহলে উৎসবের আনন্দই হয়ে উঠতে পারে বিপজ্জনক। বড়দিনের ঠিক আগেই উত্তর ২৪ পরগনার ব্যারাকপুর মহকুমার একাধিক বেকারিতে প্রশাসনের অভিযান সেই আশঙ্কাই বাড়িয়ে দিল।
![]()
বড়দিনের আগে কেন অভিযান?
বড়দিনে কেকের চাহিদা হু হু করে বাড়ে। সেই সুযোগে যাতে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যের সঙ্গে কোনওরকম আপস না হয়, তা নিশ্চিত করতেই আগেভাগে তৎপর হল ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেট। উৎসবের মরসুমে খাদ্য সুরক্ষা নিয়ে বাড়তি নজরদারিই এই অভিযানের মূল উদ্দেশ্য।
কোথায় কোথায় অভিযান চালানো হয়
ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চের নেতৃত্বে কামারহাটি, দক্ষিণেশ্বর ও বেলঘরিয়া থানা এলাকার একাধিক বেকারিতে যৌথ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে পুলিশ আধিকারিকদের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন খাদ্য সুরক্ষা দফতর ও ক্রেতা সুরক্ষা দফতরের আধিকারিকরাও।
![]()
কী কী অনিয়ম ধরা পড়ল
পরিদর্শনে দেখা যায়, বেশ কয়েকটি বেকারিতে চরম অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে কেক ও বেকারি সামগ্রী তৈরি করা হচ্ছে। কোথাও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বালাই নেই, কোথাও আবার কর্মীদের সুরক্ষাবিধি মানা হচ্ছে না। খাদ্য সুরক্ষা আইনের একাধিক ধারা লঙ্ঘনের প্রমাণ মেলে।
নথিপত্রে গাফিলতি
আধিকারিকদের সূত্রে জানা গিয়েছে, বহু বেকারিতে প্রয়োজনীয় লাইসেন্স ও নথিপত্রের ঘাটতি রয়েছে। পাশাপাশি নির্ধারিত খাদ্যমান বজায় রাখা হয়নি বলেও অভিযোগ ওঠে। এই কারণে সংশ্লিষ্ট বেকারি মালিকদের বিরুদ্ধে নোটিশ জারি করা হয়েছে এবং আইনি পদক্ষেপের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
![]()
প্রশাসনের কড়া বার্তা
পুলিশ কমিশনারেট স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে—জনস্বাস্থ্যের প্রশ্নে কোনওরকম আপস করা হবে না। ভবিষ্যতেও ব্যারাকপুর কমিশনারেটের বিভিন্ন এলাকায় এই ধরনের অভিযান চলবে এবং নিয়ম না মানলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
![]()
বড়দিনের উৎসবের আগেই ব্যারাকপুরের একাধিক বেকারিতে প্রশাসনিক অভিযানে উঠে এল চাঞ্চল্যকর ছবি। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে কেক তৈরির অভিযোগে নোটিশ ও আইনি পদক্ষেপের পথে হাঁটছে প্রশাসন। ফলে কেক কেনার আগে সতর্ক হতে বলা হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।










