২৩ এপ্রিলের ভোটকে সামনে রেখে রাজ্যে কড়া নজরদারি শুরু হয়েছে। বিশেষ করে দু-চাকার যান চলাচলের উপর বিধিনিষেধ জারি করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইছে প্রশাসন। তবে সাধারণ মানুষের সুবিধার কথা মাথায় রেখে কিছু ক্ষেত্রে ছাড়ও রাখা হয়েছে।
কড়া নিষেধাজ্ঞা: বাইক র্যালি ও রাতের চলাচল বন্ধ
ভোটের দুদিন আগে থেকেই বাইক র্যালি, মিছিল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরদিন সকাল ৬টা পর্যন্ত সাধারণ বাইক চলাচলেও নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। স্পর্শকাতর এলাকায় এই নিয়ম আরও কঠোরভাবে কার্যকর করা হবে।
অ্যাপ-বাইক পরিষেবায় ছাড়
তবে সব ক্ষেত্রেই নিষেধাজ্ঞা নয়। Zomato, Uber, Rapido এবং Ola-র মতো অ্যাপ-ভিত্তিক বাইক পরিষেবাগুলিকে চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। যাতে ডেলিভারি ও যাতায়াতে কোনও সমস্যা না হয়, সেই কারণেই এই ছাড়।
জরুরি পরিষেবায় বিশেষ অনুমতি
চিকিৎসা সংক্রান্ত জরুরি প্রয়োজন, স্কুল থেকে বাচ্চা আনা-নেওয়া, পারিবারিক জরুরি পরিস্থিতির মতো ক্ষেত্রে বাইক ব্যবহারের অনুমতি মিলবে। এমনকি ভোট দিতে যাওয়ার ক্ষেত্রেও বাইক ব্যবহার করা যাবে।
অন্য ক্ষেত্রে কী করবেন?
যদি কোনও বিশেষ কারণে বাইক ব্যবহার করতে হয়, তাহলে স্থানীয় থানার কাছ থেকে লিখিত অনুমতি নিতে হবে। প্রশাসন স্পষ্ট করে জানিয়েছে, নিয়ম ভাঙলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ভোটের দিন কী খোলা, কী বন্ধ?
ভোটের দিন অধিকাংশ দোকান, বাজার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কারখানা বন্ধ থাকবে। তবে হাসপাতাল, ওষুধের দোকান, দুধের দোকান এবং গণপরিবহণ পরিষেবা স্বাভাবিক থাকবে, যাতে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে বড় সমস্যা না হয়।
নির্বাচনের আগে নিরাপত্তা জোরদার করতে বাইক চলাচলে কড়া বিধিনিষেধ জারি করেছে Election Commission of India। তবে জরুরি পরিষেবা ও অ্যাপ-ভিত্তিক বাইক পরিষেবার ক্ষেত্রে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ছাড় রাখা হয়েছে।












