মোবাইল আসক্তি কমাতে বীরভূমে দাবা প্রশিক্ষণ, সন্তানেরা খুশি

মোবাইল আসক্তি কমাতে বীরভূমে দাবা প্রশিক্ষণ, সন্তানেরা খুশি

Hyperlocal: বীরভূম জেলার নলহাটি শহরে শনিবার হেরিটেজ টলারেড স্কুলে মোবাইল ফোনের আসক্তি কমানোর উদ্দেশ্যে বিশেষ দাবা প্রশিক্ষণ আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হেরিটেজ স্কুলের কর্ণধার স্বর্ণেন্দু চট্টোপাধ্যায় ও জেলা দাবা সংস্থার সম্পাদক বিজয় কৃষ্ণ সাউ। মোট ৪০ জন ছাত্রছাত্রী অনূর্ধ্ব ৯, ১১, ১৩ ও ১৬ বিভাগে অংশ নেন। মোট ৬ রাউন্ড খেলা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বিজয়ীদের নগদ পুরস্কার, ট্রফি, সার্টিফিকেট এবং মেডেল প্রদান করা হয়েছে। এই উদ্যোগে বাচ্চাদের মনোযোগ এবং পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি পেয়েছে।

মোবাইল আসক্তি কমানোর জন্য দাবা খেলা

বর্তমান প্রজন্ম মোবাইল গেমের প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ছে। মাঠে খেলাধুলার প্রবণতা কমে গেছে। স্কুল কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছেন, দাবা খেলায় মনোযোগ ও কৌশলগত চিন্তাভাবনার উন্নতি হয়।দাবার মাধ্যমে শিশুদের শিক্ষাগত মনোযোগ ফেরানো সম্ভব। এই প্রশিক্ষণ শিশুদের পড়াশোনা ও খেলাধুলার মধ্যে সমন্বয় করতে সহায়তা করছে।

হেরিটেজ স্কুলের উদ্যোগ ও আয়োজন

নলহাটির নলাটেশ্বরী মন্দির সংলগ্ন হেরিটেজ টলারেড স্কুলে ছেলেমেয়েদের দাবা প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। মোট ৬ রাউন্ডের খেলা হয়েছে, চারটি বিভাগে মোট ৪০ জন ছাত্রছাত্রী অংশ নিয়েছে।প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারীদের নগদ পুরস্কার ও ট্রফি প্রদান করা হয়। সকল অংশগ্রহণকারীকে সার্টিফিকেট ও মেডেল দিয়ে উৎসাহিত করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞ ও কর্মকর্তাদের মন্তব্য

হেরিটেজ স্কুলের কর্ণধার স্বর্ণেন্দু চট্টোপাধ্যায় বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ আগামীতে আরও অনেক দাবার প্রতিযোগিতা ও কর্মশালার পথ সুগম করবে।”বীরভূম জেলা দাবা সংস্থার সম্পাদক বিজয় কৃষ্ণ সাউ যোগ করেন, “জেলার বিভিন্ন স্কুলে দাবার প্রচার ও প্রসারের জন্য আমরা একই রকম উদ্যোগ গ্রহণ করব।

ফলাফল ও শিক্ষার্থীদের প্রতিক্রিয়া

অনূর্ধ্ব ৯ গ্রুপে ব্রজেস নন্দী সর্বোচ্চ ৬ পয়েন্ট পেয়ে সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন। অন্যান্য বিভাগেও শিক্ষার্থীরা উৎসাহ ও আগ্রহ দেখিয়েছেন।অভিভাবকরা সন্তুষ্ট, কারণ মোবাইলের নেশার পরিবর্তে সন্তানরা শিক্ষামূলক এবং মস্তিষ্ক বিকাশকারী কার্যকলাপে মনোনিবেশ করছে।

বীরভূমে মোবাইল আসক্তি থেকে বাচ্চাদের দূরে রাখতে নলহাটি হেরিটেজ টলারেড স্কুলে দাবা প্রশিক্ষণ আয়োজন করা হয়েছে। ছেলেমেয়েরা শিক্ষাগত মনোযোগ ফিরে পেয়েছে এবং খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ বাড়িয়েছে। জেলা প্রশাসন ও স্কুল কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় এই উদ্যোগ সন্তানেরা উপভোগ করেছে।

 

Leave a comment