Bastar Surrender Update: রবিবার ছত্তিশগড়ের বস্তার অঞ্চলে ২১ জন মাওবাদী অস্ত্রসহ আত্মসমর্পণ করেন—১৩ জন মহিলা ক্যাডার ও ৮ জন পুরুষ। প্রশাসনের বক্তব্য, আত্মসমর্পণকারীরা মোট ১৮টি অস্ত্র জমা দিয়েছেন, যার মধ্যে একে-৪৭, এসএলআর, ইনসাস ও .৩০৩ রাইফেল রয়েছে। শীর্ষ কমান্ডারদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযানের পর এই ধারা দেখা যাচ্ছে; প্রশাসন আশাবাদী—উত্তর বস্তার অধিকাংশ এলাকা এখন কার্যত মাওবাদমুক্ত।

আত্মসমর্পণের পরিসংখ্যান ও অস্ত্রের তালিকা
সূত্রে জানা গেছে, আত্মসমর্পণকারী ২১ জন মাওবাদীর কাছ থেকে মোট ১৮টি অস্ত্র হাতে এসেছে। ছত্তিশগড় উপমুখ্যমন্ত্রী বিজয় শর্মা জানিয়েছেন—তালিকায় রয়েছে ৩টি একে-৪৭ রাইফেল, ৪টি এসএলআর, ২টি ইনসাস, ৬টি .৩০৩ রাইফেল, ২টি সিঙ্গেল-শট ও ১টি বিজিএল। ওই ব্যক্তিরা বস্তারের বিভিন্ন মাও শিবিরে সক্রিয় ছিলেন।
ধারাবাহিক অভিযানের প্রভাব
গত কিছু মাসে নিরাপত্তাবাহিনীর অভিযানে একের পর এক শীর্ষ মাও কমান্ডারের মৃত্যু ও আটক ঘটেছে। এর প্রভাব পড়েছে মাওবাহিনীর সংগঠনে—অনেক ক্যাডার অস্ত্র ছেড়ে দিয়ে নিজেকে স্বীকার করেছেন। প্রশাসন বলছে, “লাগাতার অভিযানে মাওবাদের কোমর ভেঙে দেওয়া হয়েছে; আত্মসমর্পণের এই ঢেউ তা প্রমাণ করে।

জনমানস ও প্রশাসনের প্রতিক্রিয়া
উপমুখ্যমন্ত্রী বিজয় শর্মা জানান, বস্তারের মানুষ লাল সন্ত্রাস থেকে মুক্তি চাইছেন এবং আত্মসমর্পণকারীদের সমাজে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে। তিনি বলেন, আত্মসমর্পণকারীদের “লাল কার্পেটে” স্বাগত জানানো হবে এবং সমাজের মূলধারায় ফেরাতে প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পরিস্থিতি কোথায় এখন? নিরাপত্তা বাহিনীর লক্ষ্য
প্রশাসন জানান, উত্তর বস্তারের ব্যাপক এলাকা এখন কার্যত মাওবাদী শূন্য; নিরাপত্তার নজর এখন দক্ষিণ বস্তার ওপরে। কেন্দ্রীয়-রাজ্য যৌথ প্রচেষ্টায় ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে মাওবাদের কার্যকারিতা শূন্য করার টার্গেট ধার্য আছে—এ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও ইতিমধ্যেই সমর্থন জানিয়ে চলেছেন।

ছত্তিশগড়ের বস্তার এলাকায় ২১ জন মাওবাদী অস্ত্রসহ আত্মসমর্পণ করেছেন—এদের মধ্যে ১৩ নারী ও ৮ পুরুষ। স্থানীয় প্রশাসন মনে করছে, ধারাবাহিক অভিযানে শীর্ষ কমান্ডারদের মৃত্যুর ফলে আত্মসমর্পণের ঢেউ বাড়ছে এবং উত্তর বস্তার বড় অংশ মাওবাদী শূন্য হয়ে উঠছে। নিরাপত্তা বাহিনী এখন দক্ষিণ বস্তারে তৎপর।










