বাংলায় শীতে তাপমাত্রা পতন, উত্তরবঙ্গে কুয়াশা-শৈত্যপ্রবাহ সতর্কতা

বাংলায় শীতে তাপমাত্রা পতন, উত্তরবঙ্গে কুয়াশা-শৈত্যপ্রবাহ সতর্কতা

Weather Update: অগ্রহায়ণ মাসেই গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও উত্তরবঙ্গজুড়ে তাপমাত্রা স্বাভাবিকের নীচে নেমে যাওয়ায় শীতের দাপট স্পষ্টভাবে অনুভূত হচ্ছে। কোথায়—দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারে কুয়াশার সতর্কতা দিয়ে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। কবে—মঙ্গলবার ভোর থেকেই দৃশ্যমানতা কমে ২০০ মিটার। কেন—উত্তর-পূর্ব দিক থেকে ঠান্ডা ও শুষ্ক বাতাস ঢোকার প্রভাবে। কী—দিনে হালকা শীত থাকলেও রাতে ঠান্ডা আরও বাড়বে এবং আপাতত বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই।

তাপমাত্রা স্বাভাবিকের নীচে, বাড়ছে শীতের দাপট

রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় অগ্রহায়ণ মাস থেকেই তাপমাত্রা পড়ছে দ্রুত। বঙ্গোপসাগরের উপর থাকা নিম্নচাপ সরে যাওয়ায় এখন উত্তরের ঠান্ডা বাতাস রাজ্যে ঢুকছে নিরবচ্ছিন্নভাবে। এই কারণে দক্ষিণবঙ্গের Kolkata, Howrah, North 24 Parganas, South 24 Parganas-এ সকালের দিকে শীতের ছোঁয়া ক্রমশ বাড়ছে।আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, আপাতত বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই এবং শীত আরও জাঁকিয়ে বসবে।

উত্তরবঙ্গে কুয়াশার সতর্কতা, দৃশ্যমানতা কমে ২০০ মিটার

দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারে মঙ্গলবার ভোর থেকেই ঘন কুয়াশার সৃষ্টি হয়েছে। অনেক জায়গায় দৃশ্যমানতা কমে ২০০ মিটার পর্যন্ত নেমে আসছে।পার্বত্য এলাকায় কুয়াশার ঘনত্ব আরও বেশি থাকবে বলে পূর্বাভাস। শিলিগুড়িতে দিনের তাপমাত্রা ২২ ডিগ্রি, দার্জিলিং–কালিম্পং অঞ্চলে ১৮–২০ ডিগ্রি এবং আলিপুরদুয়ার–কোচবিহারে ২৩–২৪ ডিগ্রি থাকার সম্ভাবনা।

দক্ষিণবঙ্গে শীতের আমেজ, শুষ্ক আবহাওয়া জারি

দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলায় রাতের তাপমাত্রার খুব বেশি হেরফের হবে না। কলকাতা, হুগলি, দুই মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, দুই বর্ধমান, নদিয়া ও মুর্শিদাবাদে সকালের দিকে হালকা ঠান্ডা 느য়তই অনুভূত হবে।শুষ্ক বাতাস চলার ফলে দিনের বেলা আকাশ পরিষ্কার থাকার সম্ভাবনা বেশি। আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, আগামী সাতদিন তাপমাত্রা একই রকম থাকবে।

জেলাভিত্তিক পূর্বাভাসে কুয়াশা–ঠান্ডার মিশ্রণ

আবহাওয়া অধিদপ্তরের অঞ্চলভিত্তিক পূর্বাভাস বলছে, দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে সকালে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা দেখা দেবে। এক-দু’টি জায়গায় দৃশ্যমানতা ২০০ মিটারে নেমে যাওয়ায় যানবাহন চলাচলে সমস্যা দেখা দিতে পারে।মালদা, উত্তর দিনাজপুর ও দক্ষিণ দিনাজপুরেও শুষ্ক আবহাওয়া বজায় থাকবে, সেখানেও শীতের প্রভাব ধীরে ধীরে বাড়ছে।

রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে অগ্রহায়ণ মাসেই তাপমাত্রা নেমে গিয়েছে স্বাভাবিকের নীচে। উত্তরবঙ্গে ঘন কুয়াশার সতর্কতা জারি হয়েছে; বহু জায়গায় দৃশ্যমানতা কমে ২০০ মিটারে নেমেছে। দক্ষিণবঙ্গে শুষ্ক আবহাওয়া বজায় থাকলেও সকালে শীতের আমেজ আরও বাড়বে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।

 

Leave a comment