Darjeeling Road Closed: দার্জিলিংয়ে পর্যটনের সবচেয়ে জমজমাট সময়ে রোহিণী রোড বন্ধ থাকায় যাত্রী থেকে শুরু করে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সমস্যার শেষ নেই। ভূমিধস ও রাস্তার ভয়াবহ ক্ষতির কারণে প্রশাসন দু’মাস আগে এই পথ বন্ধ করে দেয়। ফলে যাতায়াতে সময় ও খরচ দুটোই বেড়েছে, আর অনেক পর্যটক সফর বাতিল করছেন। হোটেল, হোমস্টে, ট্রাভেল অপারেটর, ট্যাক্সিচালক—সবাই আশঙ্কা করছেন, ডিসেম্বরেও রাস্তাটি না খুললে পাহাড়ি অর্থনীতিতে বড়সড় ধাক্কা লাগবে।
![]()
রোহিণী রোড বন্ধ, সরাসরি আঘাত পর্যটনে
দীর্ঘদিন ধরে দার্জিলিং যাওয়ার সবচেয়ে জনপ্রিয় রুট রোহিণী রোড বন্ধ থাকায় পর্যটকদের alternative দীর্ঘ রাস্তায় ঘুরে যেতে হচ্ছে। এতে সময় যেমন দ্বিগুণ লাগছে, তেমনই যাতায়াত খরচও বেড়েছে।এই ঝক্কি এড়াতে অনেকেই দার্জিলিং সফর বাতিল করছেন। ফলে হোটেল বুকিং, ট্রাভেল রিজার্ভেশন, ট্যাক্সি বুকিং—সব ক্ষেত্রেই তীব্র পতন দেখা যাচ্ছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ীদের আয় কমে অর্ধেক
রোহিণী রোড বন্ধের সবচেয়ে বড় চোট লেগেছে রাস্তার ধারেকাছের ছোট দোকান, খাবারের জায়গা, হোমস্টে ও হোটেলগুলিতে।ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, মরশুমে যে আয় হওয়ার কথা ছিল তার অর্ধেকও উঠছে না। তাঁরা বলছেন, ডিসেম্বরেও রাস্তা না খুললে ক্ষতির পরিমাণ ভয়াবহ হবে।
![]()
ভূমিধস ও খারাপ আবহাওয়ায় মেরামতি ব্যাহত
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, লাগাতার ভূমিধস ও রাস্তার গভীর ক্ষতির জন্যই রুটটি সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা হয়েছে।পাহাড়ি আবহাওয়া ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত কারণে মেরামতির কাজ নিয়মিতভাবে এগোতে পারছে না। স্থানীয়দের দাবি—অন্তত সীমিতভাবে হলেও যান চলাচলের অনুমতি দেওয়া উচিত ছিল।
ট্যাক্সিচালক ও পরিবহণ পরিষেবার টানাপোড়েন
শিলিগুড়ি–দার্জিলিং রুটে ট্যাক্সিচালক ও পর্যটন পরিবহণ সংস্থাগুলি মারাত্মক সমস্যায় পড়েছেন।তাঁদের অভিযোগ, রোহিণী দিয়ে গেলে কম সময়ে পৌঁছনো যেত, কিন্তু এখন ঘুরপথে যেতে হচ্ছে—ফলে যাত্রার সময় বাড়ছে, জ্বালানির খরচও লাফিয়ে বাড়ছে।নতুন রুটে সার্ভিস দিলেও যাত্রী কমে যাওয়ায় আয়ের পরিমাণ তীব্রভাবে নেমে এসেছে।
![]()
ডিসেম্বর-জানুয়ারির পিক সিজন সামনে, বাড়ছে দুশ্চিন্তা
পর্যটন ব্যবসায়ীরা আশঙ্কা করছেন, পিক সিজন শুরুর আগে রাস্তা না খুললে পাহাড়ের অর্থনীতি বড় ধাক্কার মুখে পড়বে।হোটেল মালিকরা জানান, ডিসেম্বরে বুকিং সাধারণত ফুল থাকে, কিন্তু এবার আগাম বুকিংও কমে গিয়েছে—যা উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।
![]()
পর্যটনের ব্যস্ত মরশুমে দার্জিলিং-মুখী রোহিণী রোড দু’মাস ধরে বন্ধ। এর ফলে যাত্রাপথ হয়েছে দীর্ঘ, ভাড়া বেড়েছে, আর সেবক রোডে বাড়ছে তীব্র যানজট। অসুবিধায় পড়ে বহু পর্যটক সফর বাতিল করছেন। এতে স্থানীয় হোটেল, রেস্তোরাঁ, ট্যাক্সিচালকসহ পুরো পর্যটন ব্যবসায় আয় প্রায় অর্ধেক নেমে এসেছে।












