নিজের মুখে স্বীকারোক্তি ধর্মেন্দ্রর: ধর্মেন্দ্র নিজেই জানিয়েছেন, যৌবনে তিনি মদ্যপানের নেশায় জড়িয়ে পড়েছিলেন। এতটাই অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছিলেন যে একদিন রাগের বশে বাবার জামার কলারও চেপে ধরেছিলেন। পরবর্তীতে অভিনেতা উপলব্ধি করেন, “জীবনই সবচেয়ে বড় শিক্ষক, যা তোমাকে শেখায় বিনম্র হতে।

‘শোলে’-এর নেশায় ঢেকে গিয়েছিল বাস্তব
১৯৭৫ সালে ‘শোলে’-এর শুটিং চলাকালীন ঘটেছিল সেই ঘটনা। ধর্মেন্দ্র বলেন, “আমি ক্যামেরাম্যানের পাশে বসে তাঁর রাখা মদের স্টক থেকে মদ খেতে খেতে দেখি, প্রোডাকশনের লোক এসে বলছে— আমি ১২ বোতল শেষ করে ফেলেছি!” এই ঘটনাই বলিউডের অন্দরে কিংবদন্তি হয়ে আছে আজও।

ধর্মেন্দ্রর মতে জীবনের সবচেয়ে বড় শিক্ষা
অভিনেতা পরে স্বীকার করেছেন, মদের নেশা তাঁকে জীবনের মূল্যবান সময় থেকে দূরে সরিয়ে দিয়েছিল। তিনি বলেন, “আমি ঠেকে অনেক কিছু শিখেছি। এখন জানি, জীবন ও সম্পর্কই আসল নেশা।” তাঁর এই কথায় জীবনের গভীর অনুশোচনা ও আত্মসমালোচনা স্পষ্ট।

অকপটতার জন্য আজও ভক্তদের প্রিয়
ধর্মেন্দ্র সবসময়েই নিজের ভুল স্বীকার করেছেন খোলাখুলিভাবে। বলিউডে তাঁর অকপটতা ও সরলতা তাঁকে আরও জনপ্রিয় করে তুলেছে। মদের নেশার মতো কঠিন অধ্যায় পেরিয়েও আজ তিনি অনুপ্রেরণা— সত্য স্বীকারের সাহসই তাঁকে অনন্য করে তুলেছে।

বলিউডের ‘হি-ম্যান’ নামে পরিচিত ধর্মেন্দ্র আজও দর্শকদের মনে অমর তাঁর অভিনয় ও ব্যক্তিত্বে। তবে রূপোলি পর্দার এই সুপারস্টারের জীবনেও ছিল নেশা ও অন্ধকারের অধ্যায়। ‘শোলে’ ছবির শুটিং চলাকালীন একদিনে ১২ বোতল মদ খাওয়ার ঘটনাই আজও ভক্তদের অবাক করে।













