Woman Murdered in Nadia Krishnanagar: নদিয়ার কৃষ্ণগঞ্জের রবীন্দ্রনগরে এক বিধবা মহিলার নৃশংস খুনে চাঞ্চল্য। শুক্রবার রাতে জগদ্ধাত্রী ঠাকুর দেখে বাড়ি ফিরেই রক্তাক্ত অবস্থায় মাকে পড়ে থাকতে দেখেন ছেলে অক্ষয় বিশ্বাস। মৃতার নাম শোভা বিশ্বাস (৪৫)। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও শেষরক্ষা হয়নি। পুলিশ প্রাথমিকভাবে অনুমান করছে, দুষ্কৃতীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে খুন করেছে। ব্যক্তিগত শত্রুতা নাকি লুঠের উদ্দেশ্যে খুন—তা খতিয়ে দেখছে তদন্তকারীরা।

রহস্যে ঘেরা রবীন্দ্রনগরের রাত
শুক্রবার রাতে যখন পাড়ার অধিকাংশ মানুষ ঠাকুর দেখতে ব্যস্ত, তখনই ঘটে যায় ভয়াবহ হত্যাকাণ্ড। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতা শোভা বিশ্বাস পেশায় দিনমজুর এবং পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন তাঁর ছেলে অক্ষয়। রাতে বাড়ি ফিরে ঘরে রক্তের দাগ ও মায়ের নিথর দেহ দেখে চিৎকার করে ওঠেন তিনি।
এক হাসপাতাল থেকে আরেকটিতে ছুটেও বাঁচানো গেল না
গুরুতর আহত অবস্থায় শোভাকে প্রথমে কৃষ্ণগঞ্জ গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে তাঁকে শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, পরে এনআরএস হাসপাতালে রেফার করা হয়। তবে দীর্ঘ সময় ধরে চিকিৎসা চললেও শেষ পর্যন্ত মৃত্যু হয় তাঁর। মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় নেমে আসে শোকের ছায়া।

পুলিশের প্রাথমিক অনুমান ও তদন্তের দিক
কৃষ্ণগঞ্জ থানার পুলিশ ইতিমধ্যেই খুনের মামলা রুজু করেছে। প্রাথমিক অনুমান, এক বা একাধিক দুষ্কৃতী রাতে ঘরে ঢুকে ধারাল অস্ত্র দিয়ে হামলা চালিয়েছে। ঘটনার পিছনে ব্যক্তিগত শত্রুতা নাকি অন্য কোনও উদ্দেশ্য—তা এখনও স্পষ্ট নয়। স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়েছে। বাড়ির আশেপাশে সিসিটিভি ফুটেজও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
আতঙ্কে এলাকা, শোকে ভেঙে পড়ল পরিবার
রবীন্দ্রনগরের জনজীবনে নেমে এসেছে আতঙ্কের ছায়া। প্রতিবেশীদের দাবি, শোভা দেবী সবার সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক রাখতেন, তাঁর কোনও শত্রু ছিল না। শোকাহত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। মৃতার মেয়ে মৌসুমী ভীমপুর থেকে এসে মায়ের শেষকৃত্যের ব্যবস্থা করছেন।

নদিয়ার কৃষ্ণনগরে এক বিধবা মহিলার রহস্যমৃত্যুতে চাঞ্চল্য। জগদ্ধাত্রী ঠাকুর দেখে বাড়ি ফেরার পর ঘরের মধ্যে রক্তাক্ত অবস্থায় মায়ের দেহ দেখে আঁতকে ওঠেন ছেলে। মৃতা শোভা বিশ্বাসের দেহে একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। পুলিশ খুনের মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে।










