‘পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী মারা-ই যেতেন!’—ভারত-পাক সংঘর্ষ ঘিরে চাঞ্চল্যকর দাবি ডোনাল্ড ট্রাম্পের, চাপে ইসলামাবাদ

‘পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী মারা-ই যেতেন!’—ভারত-পাক সংঘর্ষ ঘিরে চাঞ্চল্যকর দাবি ডোনাল্ড ট্রাম্পের, চাপে ইসলামাবাদ

ওয়াশিংটনে এক ভাষণে ফের শোরগোল ফেললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ২০২৫ সালের মে মাসে ভারত-পাক সংঘর্ষের সময় তিনি হস্তক্ষেপ না করলে পরিস্থিতি পারমাণবিক যুদ্ধে গড়াতে পারত—এমনই দাবি করেন তিনি। শুধু তাই নয়, তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী প্রাণ হারাতেন যদি আমেরিকা মধ্যস্থতা না করত।

স্টেট অফ দ্য ইউনিয়নে ট্রাম্পের বড় দাবি

স্টেট অফ দ্য ইউনিয়ন ভাষণে ট্রাম্প বলেন, তাঁর দ্বিতীয় মেয়াদের প্রথম ১০ মাসে তিনি আটটি যুদ্ধের অবসান ঘটিয়েছেন। ভারত-পাক উত্তেজনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি দাবি করেন, তাঁর কূটনৈতিক হস্তক্ষেপেই সংঘর্ষ থেমেছিল।

তাঁর কথায়, পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছেছিল যে পারমাণবিক সংঘর্ষের আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল।

‘অপারেশন সিঁদুর’ ও পাকিস্তান প্রসঙ্গ

ভারতের কথিত ‘অপারেশন সিঁদুর’ নিয়ে ট্রাম্প আগেও একাধিকবার মন্তব্য করেছেন। এবার তিনি বলেন, “আমি যদি হস্তক্ষেপ না করতাম, তাহলে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী মারা যেতেন।”

এই মন্তব্য ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

উল্লেখ্য, ভারত সরকার অতীতে ট্রাম্পের মধ্যস্থতার দাবি একাধিকবার খারিজ করেছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল, ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ

ট্রাম্পের এই বক্তব্য সামনে আসতেই নেটমাধ্যমে তা দ্রুত ভাইরাল হয়। অনেকেই কটাক্ষ করে বলেন, ট্রাম্প বোঝাতে চেয়েছেন ভারতীয় বিমানহানার হাত থেকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীকে তিনি ‘রক্ষা’ করেছিলেন।

অন্যদিকে, কেউ কেউ মনে করছেন—পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী Shehbaz Sharif নাকি ট্রাম্পকে জানিয়েছিলেন, আমেরিকা মধ্যস্থতা না করলে বিপুল প্রাণহানি ঘটত।

অস্বস্তিতে ইসলামাবাদ?

ট্রাম্পের বক্তব্যে পাকিস্তানের কূটনৈতিক অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কারণ, তাঁর মন্তব্য থেকে এমন ইঙ্গিত মিলছে যে ইসলামাবাদ সরাসরি মার্কিন হস্তক্ষেপের ওপর নির্ভরশীল ছিল।

যদিও পাকিস্তান সরকারের তরফে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া এখনও স্পষ্ট নয়, আন্তর্জাতিক মহলে এই মন্তব্য ঘিরে অস্বস্তি বাড়ছে।

ভারত-পাক সংঘর্ষ ও তথাকথিত ‘অপারেশন সিঁদুর’ প্রসঙ্গে আবারও বিতর্কিত মন্তব্য করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump। তাঁর দাবি, আমেরিকা মধ্যস্থতা না করলে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী মারা যেতেন এবং পারমাণবিক যুদ্ধ শুরু হতে পারত। এই মন্তব্য ঘিরে সোশ্যাল মিডিয়ায় তীব্র প্রতিক্রিয়া, অস্বস্তিতে ইসলামাবাদ।

Leave a comment