প্রশাসনিক পরিকাঠামোয় বড় সংযোজন। প্রায় আড়াই দশক পর অবশেষে নিজস্ব সার্কিট হাউস পেল পূর্ব মেদিনীপুর জেলা। তমলুকের নিমতৌড়ি প্রশাসনিক কমপ্লেক্সে নির্মিত এই অত্যাধুনিক ভবনের উদ্বোধন ঘিরে উচ্ছ্বাস প্রশাসনিক মহলে।
২০০২-এর পর অবশেষে পূর্ণাঙ্গ পরিকাঠামো
২০০২ সালে অবিভক্ত মেদিনীপুর ভেঙে গঠিত হয় পূর্ব মেদিনীপুর জেলা। তবে জেলা সদরে দীর্ঘদিন ধরে স্থায়ী সার্কিট হাউসের অভাব ছিল।
জেলা শাসক কার্যালয় ২০১৮ সালে নতুন প্রশাসনিক ভবনে স্থানান্তরিত হলেও আবাসনের সমস্যা থেকেই গিয়েছিল। সেই ঘাটতি এবার মিটল।
নিমতৌড়িতে ৭.৬৩ কোটি টাকার প্রকল্প
তমলুক শহরের কাছে নিমতৌড়ির প্রশাসনিক কমপ্লেক্সে নির্মিত এই সার্কিট হাউস তৈরিতে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৭ কোটি ৬৩ লক্ষ টাকা।
ভবনটিতে রয়েছে আধুনিক সজ্জিত ভিআইপি স্যুট, প্রশাসনিক আধিকারিকদের থাকার পৃথক ব্যবস্থা, কনফারেন্স রুম এবং অত্যাধুনিক ডাইনিং হল।
ভিআইপি আতিথেয়তায় সুবিধা
এতদিন ভিন জেলা বা রাজ্য থেকে আগত উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের থাকার জন্য বিকল্প ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করতে হত প্রশাসনকে। ফলে নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হতো।
জেলাশাসক ইউনিস ঋষিণ ইসমাইল জানান, একটি জেলার প্রশাসনিক কাঠামো পূর্ণতা পায় যখন সেখানে উপযুক্ত আবাসন ব্যবস্থা থাকে। নতুন সার্কিট হাউস প্রশাসনিক কাজে গতি আনবে।
জাতীয় সড়কের ধারে কৌশলগত অবস্থান
১১৬ নম্বর জাতীয় সড়কের পাশেই অবস্থিত নিমতৌড়ির প্রশাসনিক কমপ্লেক্স। ফলে যাতায়াতের সুবিধাও মিলবে সহজে।
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সার্কিট হাউসটি মূলত সরকারি ভিআইপিদের জন্য ব্যবহৃত হবে এবং পি অ্যান্ড এ আর দফতরের নিয়ম মেনেই পরিচালিত হবে।
ভার্চুয়াল উদ্বোধন মুখ্যমন্ত্রীর
রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভার্চুয়ালি এই সার্কিট হাউসের উদ্বোধন করেন।
অন্যান্য জেলার মতো সাধারণ ভাড়ায় দেওয়া হবে কিনা, সে বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানা যায়নি।
২০০২ সালে জেলা গঠনের পরও নিজস্ব সার্কিট হাউস ছিল না পূর্ব মেদিনীপুরে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর তমলুকের নিমতৌড়িতে ৭ কোটি ৬৩ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মিত অত্যাধুনিক সার্কিট হাউসের উদ্বোধন হল। এতে প্রশাসনিক কাজকর্মে গতি আসবে বলে মনে করছে জেলা প্রশাসন।












