সকালের জলখাবার হোক বা ডায়েট চার্ট—সেদ্ধ ডিম অনেকেরই পছন্দের খাবার। কিন্তু ডিম সেদ্ধ করতে গিয়ে প্রায়ই দেখা যায় খোসা ফেটে সাদা অংশ বেরিয়ে যাচ্ছে। এতে শুধু ডিমের গুণগত মানই নষ্ট হয় না, পুরো জলও নোংরা হয়ে যায়। তবে রান্নাঘরের কিছু সহজ টিপস মেনে চললে এই সমস্যার সমাধান খুব সহজেই করা যায়।
জলে মেশান ১ চামচ নুন বা ভিনিগার
ডিম সেদ্ধ করার সময় জলে এক চা চামচ নুন বা ভিনিগার মিশিয়ে দিলে খোসা ফাটলেও সাদা অংশ বাইরে বেরিয়ে আসে না। এই ছোট্ট কৌশলই ডিমকে সুরক্ষিত রাখে এবং জলও পরিষ্কার থাকে।
প্রথমে ডিম, তারপর গ্যাস জ্বালান
অনেকেই আগে জল ফুটিয়ে তারপর ডিম দেন। কিন্তু এতে খোসা ফেটে যাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। বরং পাত্রে আগে ডিম ও জল একসঙ্গে নিয়ে তারপর গ্যাস জ্বালালে ডিম ধীরে ধীরে গরম হয় এবং ভাঙার আশঙ্কা কমে।
বেশি আঁচে সেদ্ধ করলে বাড়তে পারে সমস্যা
ডিম সবসময় মাঝারি আঁচে সেদ্ধ করা উচিত। বেশি জোরে ফুটলে ডিম একে অপরের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে ফেটে যেতে পারে। পাশাপাশি পাত্রে খুব বেশি ডিম গাদাগাদি করে রাখাও ঠিক নয়।
ছোট ছিদ্রের কৌশলও কার্যকর
অনেকে ডিমের গোলাকার অংশে সূক্ষ্ম একটি ছিদ্র করে নেন। এতে ভেতরের বাতাস বেরিয়ে যেতে পারে এবং সেদ্ধ করার সময় চাপ কম পড়ে। ফলে খোসা ফাটার সম্ভাবনাও কমে যায়।
সেদ্ধ হওয়ার পর ঠান্ডা জলে রাখুন
ডিম সেদ্ধ হয়ে গেলে সঙ্গে সঙ্গে ঠান্ডা জলে ডুবিয়ে রাখলে খোসা ছাড়ানো অনেক সহজ হয়। একইসঙ্গে ডিমের টেক্সচারও ভালো থাকে।
কতক্ষণ সেদ্ধ করলে কেমন ডিম হবে?
সফ্ট বয়েল ডিমের জন্য: ৬-৭ মিনিট
হাফ বয়েল বা মাঝারি সেদ্ধ: ৮-৯ মিনিট
হার্ড বয়েল ডিমের জন্য: ১০-১২ মিনিট
ডিম সেদ্ধ করতে গিয়ে খোসা ফেটে জল নোংরা হয়ে যাওয়ার সমস্যা খুবই সাধারণ। তবে কয়েকটি সহজ কৌশল মেনে চললেই এই ঝামেলা এড়ানো সম্ভব। বিশেষজ্ঞদের মতে, জলে সামান্য নুন বা ভিনিগার মিশিয়ে ডিম সেদ্ধ করলে খোসা ফাটার সম্ভাবনা অনেকটাই কমে যায়।













