PMCH-এর সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ বরখাস্তের পর Nitish Kumar-এর কাছে ন্যায়বিচারের আবেদন, VRS বিবেচনার কথা জানালেন

পাটনার PMCH-এর সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সাময়িক বরখাস্তের পর মুখ্যমন্ত্রী Nitish Kumar-এর কাছে ন্যায়বিচারের আবেদন জানিয়েছেন। তিনি নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়ে ন্যায়বিচারয়ার অধীনে রয়েছে।
PMCH-এর সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ বরখাস্তের পর Nitish Kumar-এর কাছে ন্যায়বিচারের আবেদন, VRS বিবেচনার কথা জানালেন
Photo Credit / Attribution: Google

পাটনার PMCH-এর সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ (প্রিন্সিপাল) তাঁর সাময়িক বরখাস্তের পর মুখ্যমন্ত্রী Nitish Kumar-এর কাছে ন্যায়বিচারের আবেদন জানিয়েছেন। তিনি দাবি করেছেন, তাঁর সঙ্গে অন্যায় করা হয়েছে এবং ন্যায়বিচার না পেলে তিনি স্বেচ্ছা অবসর (VRS) নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করবেন। এ ঘটনাকে ঘিরে বিহারের স্বাস্থ্য বিভাগ ও রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।

সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ বলেছেন, দায়িত্ব পালনকালে তিনি সম্পূর্ণ সততা ও বিধি মেনে কাজ করেছেন। তাঁর অভিযোগ, তাঁকে পর্যাপ্ত সুযোগ না দিয়েই সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তিনি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে বিষয়টির নিরপেক্ষ তদন্ত এবং পুরো ঘটনার ব্যক্তিগতভাবে পর্যালোচনার আবেদন জানিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, নিরপেক্ষ তদন্ত হলে প্রকৃত ঘটনা সামনে আসবে। তাঁর দাবি, তিনি কখনও ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো নিয়ম লঙ্ঘন করেননি এবং প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত পরিস্থিতি অনুযায়ী নেওয়া হয়েছিল। তদন্ত হলে তিনি ন্যায়বিচার পাবেন বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।

এদিকে, বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়াও সামনে আসতে শুরু করেছে। বিহারে স্বাস্থ্যব্যবস্থা ও প্রশাসনিক জবাবদিহিতা নিয়ে আগে থেকেই আলোচনা চলায় PMCH-সংক্রান্ত এই ঘটনাও আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মুখ্যমন্ত্রীর সরাসরি হস্তক্ষেপ চাওয়ার পর এখন সরকারের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে নজর রয়েছে।

সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আরও বলেছেন, ন্যায়বিচার না পেলে এবং তাঁর বক্তব্য শোনা না হলে তিনি বাধ্য হয়ে VRS গ্রহণ করবেন। দীর্ঘদিন সরকারি চাকরিতে থাকার পর এ ধরনের পদক্ষেপ তাঁকে গভীর মানসিক আঘাত দিয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

এ মুহূর্তে সংশ্লিষ্ট বিভাগের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। প্রশাসনিক পর্যায়ে সাময়িক বরখাস্তের আদেশ এবং সংশ্লিষ্ট তথ্য পর্যালোচনা করা হচ্ছে। প্রয়োজন হলে বিভাগীয় তদন্তের প্রক্রিয়াও এগিয়ে নেওয়া হতে পারে।

এদিকে স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা পুরো পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছেন। রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলেও আলোচনা চলছে যে সরকার এ বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেয় এবং সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের আবেদনের বিষয়ে পুনর্বিবেচনা করা হবে কি না।

বর্তমানে বিষয়টি তদন্ত ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার অধীনে রয়েছে। আগামী দিনে সরকার ও স্বাস্থ্য বিভাগের পরবর্তী পদক্ষেপের মাধ্যমে স্পষ্ট হবে, সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের আবেদনের বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং মামলার পরবর্তী অগ্রগতি কী হয়।

Leave a comment