Gardening Tips: দক্ষিণবঙ্গে আসছে তীব্র দাবদাহ! সাধের বাগান বাঁচাতে এখনই নিন এই ৫ জরুরি পদক্ষেপ

Gardening Tips: দক্ষিণবঙ্গে আসছে তীব্র দাবদাহ! সাধের বাগান বাঁচাতে এখনই নিন এই ৫ জরুরি পদক্ষেপ

ফেব্রুয়ারির শেষ থেকেই তাপমাত্রার পারদ চড়ছে দক্ষিণবঙ্গে। আবহাওয়াবিদদের পূর্বাভাস, এ বছর দাবদাহের প্রকোপ আরও বাড়তে পারে। এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বিপাকে পড়তে পারেন যাঁরা বাড়ির সামনে বা ছাদে শখ করে গাছ লাগিয়েছেন। একটু অসাবধান হলেই শুকিয়ে খড় হয়ে যেতে পারে প্রিয় গাছগুলি।

দাবদাহে সবচেয়ে ঝুঁকিতে টবের গাছ

উদ্যান বিশেষজ্ঞদের মতে, মাটির বাগানের তুলনায় টবে লাগানো গাছ বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কারণ টবের মাটি দ্রুত শুকিয়ে যায় এবং শিকড়ে জলের ঘাটতি দেখা দেয়। তাই বসন্তের শুরু থেকেই বাড়তি যত্ন নেওয়া প্রয়োজন।

দুপুরের রোদ এড়িয়ে ছায়ায় রাখুন

জেলা উদ্যানপালন দফতরের আধিকারিকদের পরামর্শ, দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত তীব্র রোদে গাছ না রাখাই ভালো। টবের গাছ হলে দুপুরের পর ছায়াযুক্ত স্থানে সরিয়ে রাখুন। প্রয়োজনে গ্রিনশেড বা খড়ের আচ্ছাদন ব্যবহার করতে পারেন।

নিয়মিত জল, তবে সঠিক সময়ে

গরমে গাছের জন্য জল অত্যন্ত জরুরি। তবে রোদের মধ্যে জল দিলে উপকারের বদলে ক্ষতি হতে পারে। ভোরবেলা এবং সন্ধ্যায় জল দেওয়া সবচেয়ে উপযুক্ত সময়। এতে মাটির আর্দ্রতা বজায় থাকে এবং গাছ সতেজ থাকে।

রাসায়নিক সার ব্যবহার বন্ধ রাখুন

তীব্র গরমের সময় রাসায়নিক সার বা খৈল প্রয়োগ করলে গাছের শিকড় পুড়ে যেতে পারে। এতে গাছ দ্রুত নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে। বরং জৈব সার বা ভার্মি কম্পোস্ট ব্যবহার করা নিরাপদ।

মাটির আর্দ্রতা ধরে রাখতে মালচিং

টব বা বাগানের মাটির উপর শুকনো পাতা, খড় বা নারকেলের ছোবড়া ছড়িয়ে দিলে মাটির জলীয় অংশ দ্রুত শুকিয়ে যায় না। এই পদ্ধতিকে মালচিং বলা হয়, যা গরমকালে অত্যন্ত কার্যকর।

শুকিয়ে যাওয়া পাতা ছেঁটে ফেলুন

গরমে অনেক সময় গাছের পাতা হলুদ বা শুকনো হয়ে যায়। সেগুলি দ্রুত কেটে ফেললে গাছের শক্তি অপচয় হয় না এবং নতুন কুঁড়ি গজাতে সুবিধা হয়।

মার্চের শুরুতেই দক্ষিণবঙ্গে বাড়ছে গরমের তীব্রতা। দাবদাহে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় বাড়ির বাগান ও ছাদবাগানের গাছ। পর্যাপ্ত জল, সঠিক ছায়া ও রাসায়নিক সার এড়িয়ে চললে চড়ারোদেও গাছকে সুস্থ রাখা সম্ভব—জানাচ্ছেন উদ্যান বিশেষজ্ঞরা।

Leave a comment