গত বছর গোরখপুরে তীব্র গরম পূর্ববর্তী বছরের রেকর্ড ভেঙে দেয়। ১৮ মে ২০২৪ সালে শহরের তাপমাত্রা ৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছায়, যা গত পাঁচ বছরের মধ্যে সবচেয়ে উষ্ণ দিন হিসেবে বিবেচিত হয়।
তীব্র রোদ ও লুর কারণে মানুষের জনজীবন প্রভাবিত হয়। দুপুরের সময় সড়কগুলো প্রায় ফাঁকা দেখা যায় এবং মানুষ ঘরে থাকতে বাধ্য হয়।
আবহাওয়া বিভাগের অনুমান অনুযায়ী, ১৬ থেকে ২০ জুনের মধ্যে গোরখপুরে মৌসুমী বায়ু পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে। মৌসুমী বায়ু আসার পর তাপমাত্রা কমার এবং গরম থেকে মানুষের স্বস্তি পাওয়ার সম্ভাবনা জানানো হয়েছে।
আবহাওয়া বিভাগের মতে, এ বারও উত্তর প্রদেশের বহু অংশে স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি গরম রেকর্ড করা হয়েছে। ধারাবাহিকভাবে তাপমাত্রা বৃদ্ধি এবং হিটওয়েভ মানুষের ভোগান্তি বাড়িয়েছে।
চিকিৎসকেরা মানুষকে রোদ এড়িয়ে চলা, পর্যাপ্ত পানি পান করা এবং দুপুরে বাইরে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের কথা বলা হয়েছে।
উত্তর প্রদেশের বহু জেলায় বর্তমানে লুর প্রভাব দেখা যাচ্ছে। গরম হাওয়ার কারণে বিদ্যুৎ ও পানির চাহিদাও বৃদ্ধি পেয়েছে।
আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, মৌসুমী বায়ু আসার আগে প্রাক-মৌসুমী কার্যকলাপ শুরু হতে পারে, যার ফলে কিছু এলাকায় হালকা বৃষ্টি ও দমকা হাওয়া বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
সামাজিক মাধ্যমে মানুষ তীব্র গরম ও মৌসুমী বায়ু নিয়ে আলোচনা করছেন। অনেককে বৃষ্টির অপেক্ষায় থাকতে দেখা যাচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে তাপমাত্রা ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। আগামী বছরগুলোতে হিটওয়েভের ঘটনা আরও গুরুতর হতে পারে।
বর্তমানে মানুষ মৌসুমী বায়ুর অপেক্ষায় রয়েছেন এবং আবহাওয়া বিভাগের প্রকাশিত আপডেটের দিকে নজর রাখছেন।










