সামনেই রঙের উৎসব। আর সেই উৎসবকে ঘিরেই উত্তরবঙ্গের বাজারে অভিনব ভাবনার ছোঁয়া। Jalpaiguri-র বিভিন্ন বাজারে এ বছর সাধারণ পিচকারির পাশাপাশি দারুণ জনপ্রিয়তা পেয়েছে ‘হাতা-খুন্তি’ পিচকারি। রান্নাঘরের হাতা-খুন্তি এবার রঙের অস্ত্র! মজার ডিজাইন আর কম দামের টানে ক্রেতাদের ভিড় বাড়ছে প্রতিদিন।
রান্নাঘর থেকে রঙের ময়দান
বাড়ির নিত্যদিনের ব্যবহৃত হাতা ও খুন্তিকেই নতুন রূপ দিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। প্লাস্টিকের তৈরি এই কিচেন-স্টাইল পিচকারিগুলিতে জল ভরে চাপ দিলেই ছিটকে বেরোচ্ছে রঙিন পানি। চেহারায় একেবারে রান্নার সরঞ্জাম, কিন্তু কাজ একেবারে হোলির মতোই জমজমাট।
বাজারে জমজমাট কেনাকাটা
হোলির আগে থেকেই জলপাইগুড়ির প্রধান বাজারগুলিতে রঙ, আবির, চশমা, গদা পিচকারি, বেসবল ব্যাট পিচকারির ভিড়। তবে সবার নজর কেড়েছে এই নতুন কিচেন সেট পিচকারি। দোকানিদের কথায়, “একঘেয়ে ডিজাইনের বদলে মানুষ এবার একটু মজাদার ও ব্যতিক্রমী জিনিস চাইছেন।”
দাম সাধ্যের মধ্যে, তাই চাহিদা তুঙ্গে
প্রতি পিস ১৫০ থেকে ২০০ টাকার মধ্যেই মিলছে এই হাতা-খুন্তি পিচকারি। সস্তা হওয়ায় শিশুদের পাশাপাশি তরুণ-তরুণী ও পরিবারের বড়রাও কিনছেন উৎসাহ নিয়ে। অনেকেই বন্ধুবান্ধবকে চমকে দিতে বা সোশ্যাল মিডিয়ায় মজার ছবি তুলতেই এই নতুন পিচকারি বেছে নিচ্ছেন।
ক্রেতাদের উচ্ছ্বাস
বাজারে ঘুরতে আসা এক ক্রেতার কথায়, “প্রতিবছর একই রকম পিচকারি দেখে একঘেয়েমি লাগে। এবার নতুন ডিজাইন পেয়ে ভালো লাগছে।” বিশেষ করে যুব সম্প্রদায়ের মধ্যে এই অভিনব ভাবনার পিচকারি নিয়ে উৎসাহ চোখে পড়ার মতো।
রঙের উৎসবকে ঘিরে বাজারে নতুন চমক। Holi ২০২৬-এ জলপাইগুড়ির বাজারে নজর কেড়েছে অভিনব ‘হাতা-খুন্তি’ পিচকারি। রান্নাঘরের পরিচিত সরঞ্জামকেই মজার মোড়কে বানানো হয়েছে জলভর্তি পিচকারি। সস্তা, টেকসই এবং আলাদা ডিজাইনের কারণে আট থেকে আশি—সব বয়সের ক্রেতার পছন্দের তালিকায় উঠে এসেছে এই নতুন ট্রেন্ড।













