পাহাড়ে বেড়ানোর পরিকল্পনা থাকলে এখনই সতর্ক হওয়ার সময়। উত্তরবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকায় আগামী তিন দিন ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে ভারতীয় আবহাওয়া দফতর (IMD)। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহার-সহ একাধিক জেলায় জারি হয়েছে লাল ও কমলা সতর্কতা। প্রবল বর্ষণের জেরে পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধস, নদীর জলস্তর বৃদ্ধি এবং জলাবদ্ধতার আশঙ্কাও প্রকাশ করা হয়েছে।
কোন কোন জেলায় জারি হয়েছে সতর্কতা?
আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বুধবার দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ার জেলায় অত্যন্ত ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনায় লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। একই সঙ্গে কালিম্পং ও কোচবিহারে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির জন্য কমলা সতর্কতা বহাল রয়েছে।
দমকা হাওয়া ও বজ্রবিদ্যুতের আশঙ্কা
শুধু বৃষ্টি নয়, উত্তরবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎসহ ঝড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে, কোথাও কোথাও এই গতি ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। মালদহ, উত্তর দিনাজপুর ও দক্ষিণ দিনাজপুরেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।
বৃহস্পতিবারও থাকবে দুর্যোগের দাপট
আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস বলছে, বৃহস্পতিবারও পরিস্থিতির বিশেষ পরিবর্তন হবে না। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ারে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা বজায় থাকবে। ফলে পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধস, নদীর জলস্তর বৃদ্ধি এবং নিচু এলাকায় জল জমার ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে।
দক্ষিণবঙ্গেও বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা
উত্তরবঙ্গের তুলনায় দক্ষিণবঙ্গে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক থাকলেও কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, দুই ২৪ পরগনা, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, পূর্ব বর্ধমান ও বীরভূম-সহ একাধিক জেলায় বজ্রবিদ্যুৎসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
আবহাওয়াবিদদের পরামর্শ
বিশেষজ্ঞরা অপ্রয়োজনীয় পাহাড় সফর এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছেন। যাঁরা ইতিমধ্যেই পাহাড় বা ডুয়ার্সে রয়েছেন, তাঁদের স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশ মেনে চলা, নদী ও পাহাড়ি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে দূরে থাকা এবং আবহাওয়ার সর্বশেষ আপডেটের উপর নজর রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
উত্তরবঙ্গে ফের দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার পূর্বাভাস দিল ভারতীয় আবহাওয়া দফতর (IMD)। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার-সহ একাধিক জেলায় লাল ও কমলা সতর্কতা জারি হয়েছে। আগামী ৭২ ঘণ্টায় প্রবল বৃষ্টি, দমকা হাওয়া, ভূমিধস ও নদীর জলস্তর বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে।











