মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা ঘিরে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তৎপর কেন্দ্র। রবিবার শীর্ষ মন্ত্রীদের নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে বসে বর্তমান সরবরাহ, চাহিদা ও সম্ভাব্য সংকটের খুঁটিনাটি পর্যালোচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
যুদ্ধের প্রভাব, নজরে জ্বালানি সরবরাহ
ইরান-সহ মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামে ওঠানামা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধ হওয়ার আশঙ্কায় জ্বালানি আমদানিতে বিঘ্ন ঘটছে বলে জানা গিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে সতর্ক কেন্দ্র।
উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে কারা ছিলেন উপস্থিত?
প্রধানমন্ত্রীর ডাকা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজনাথ সিং, অমিত শাহ, এস জয়শংকর, নির্মলা সীতারমণ, হরদীপ সিং পুরী এবং শিবরাজ সিং চৌহান সহ একাধিক শীর্ষ মন্ত্রী।
কী কী বিষয় খতিয়ে দেখা হল?
বৈঠকে দেশের তেল ও গ্যাসের বর্তমান মজুত, আমদানির পরিস্থিতি এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনে তার প্রভাব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। পাশাপাশি সার উৎপাদনে গ্যাসের ঘাটতি কতটা প্রভাব ফেলতে পারে, তাও খতিয়ে দেখা হয়েছে।
বিকল্প পরিকল্পনা, সংকট মোকাবিলায় প্রস্তুতি
কেন্দ্র ইতিমধ্যেই কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। রান্নার গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বুকিংয়ের ব্যবধান বাড়ানো হয়েছে। নলবাহিত পিএনজি গ্যাস ব্যবহারে জোর দেওয়া হচ্ছে, যাতে এলপিজির উপর চাপ কমে।
দীর্ঘমেয়াদি চিন্তা, বাড়ছে উদ্বেগ
সরকারের দাবি, আপাতত গৃহস্থালির গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। তবে যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে পরিস্থিতি জটিল হতে পারে। সেই সম্ভাবনাকে মাথায় রেখেই আগাম প্রস্তুতি নিচ্ছে কেন্দ্র।
মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের জেরে জ্বালানি সরবরাহে প্রভাব পড়তে পারে— এই আশঙ্কায় মন্ত্রীদের নিয়ে জরুরি বৈঠক করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তেল, গ্যাস, বিদ্যুৎ ও সার উৎপাদন নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা হয়।












