Isabgol in Blood Sugar: ব্লাড সুগার থাকলে কি প্রতিদিন ইসবগুল খাওয়া ঠিক? অতিরিক্ত খেলেই বাড়তে পারে সমস্যা

Isabgol in Blood Sugar: ব্লাড সুগার থাকলে কি প্রতিদিন ইসবগুল খাওয়া ঠিক? অতিরিক্ত খেলেই বাড়তে পারে সমস্যা

ডায়াবেটিস বা Diabetes এমন একটি রোগ যা নিয়ন্ত্রণে না রাখলে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে। এই কারণেই অনেকেই খাদ্যতালিকায় যুক্ত করেন Isabgol বা ভুসি। এটি ফাইবারসমৃদ্ধ হওয়ায় হজমে সহায়তা করে এবং রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করতে পারে।

ডায়াবেটিসে কেন উপকারী ইসবগুল

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, ইসবগুলে থাকা সাইলিয়াম ফাইবার শরীরে কার্বোহাইড্রেট শোষণের গতি ধীর করে দেয়। ফলে খাবারের পর হঠাৎ রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা কমে।বিশেষ করে সকালে খালি পেটে ইসবগুল খেলে বিপাকীয় হার কিছুটা বাড়তে পারে এবং হজমপ্রক্রিয়াও সক্রিয় হয়।

হজম ও অন্ত্র পরিষ্কারে সহায়ক

ইসবগুলে প্রচুর পরিমাণে দ্রবণীয় ফাইবার থাকে। এটি অন্ত্রে জমে থাকা বর্জ্য পদার্থ বের করতে সাহায্য করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাও কমাতে পারে।

এই কারণেই অনেক বিশেষজ্ঞ ডায়াবেটিস রোগীদের সীমিত পরিমাণে ইসবগুল খাওয়ার পরামর্শ দেন।

কীভাবে খাওয়া যেতে পারে

ইসবগুল খাওয়ার একটি সাধারণ উপায় হল গরম জলে ১ থেকে ২ চা চামচ ইসবগুল মিশিয়ে নেওয়া। কিছুক্ষণ রেখে তাতে সামান্য লেবুর রস ও মধু মিশিয়ে খাওয়া যায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার এই পানীয় গ্রহণ করা উপকারী হতে পারে।

অতিরিক্ত খেলেই হতে পারে সমস্যা

যদিও ইসবগুল উপকারী, তবে অতিরিক্ত খেলে কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। যেমন—পেট ফাঁপা, গ্যাস, বা হজমে অস্বস্তি।

এছাড়া প্রতিদিন বেশি পরিমাণে খেলে শরীরে প্রয়োজনীয় পুষ্টি শোষণের ক্ষেত্রেও বাধা সৃষ্টি হতে পারে।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে অনেকেই ইসবগুল বা ভুসি খেয়ে থাকেন। এতে উচ্চমাত্রার ফাইবার থাকায় হজমে সাহায্য করে এবং রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে। তবে প্রতিদিন বা অতিরিক্ত ইসবগুল খাওয়া শরীরের জন্য ক্ষতিকরও হতে পারে—বিশেষজ্ঞরা তাই সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন।

Leave a comment