বিশ্ববাজারে কাঁচামালের দামের ওঠানামার সরাসরি প্রভাব পড়ছে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে। ভোজ্যতেল থেকে আটা—প্রায় সব খাদ্যপণ্যের দাম বাড়তে শুরু করেছে। ফলে বাড়তি খরচ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে মধ্যবিত্ত পরিবারগুলি।
বিশ্ববাজারে তেলের দামের ওঠাপড়া
সম্প্রতি আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দামে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে খাদ্যপণ্য এবং পরিবহণ খরচের উপরও।
ফলে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম ক্রমশ বাড়তে শুরু করেছে।
পাম তেলের দামে বড় লাফ
ভোজ্যতেলের বাজারে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন দেখা গেছে পাম তেলের ক্ষেত্রে। Malaysia-তে পাম তেলের দাম প্রায় ৯ শতাংশ বেড়েছে।
এই বৃদ্ধিই আন্তর্জাতিক বাজারে ভোজ্যতেলের দামের ঊর্ধ্বগতির অন্যতম কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।
সয়াবিন তেলের দাম রেকর্ড স্তরে
অন্যদিকে Chicago-র বাজারে সয়াবিন তেলের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছেছে।
চাহিদা ও সরবরাহের ভারসাম্য নষ্ট হওয়ায় এই দামের উল্লম্ফন ঘটেছে বলে বিশেষজ্ঞদের মত।
গম ও ভুট্টার দামেও উর্ধ্বগতি
শুধু ভোজ্যতেলই নয়, খাদ্যশস্যের বাজারেও চাপ বাড়ছে। গমের দাম ২০২৪ সালের পর এই মুহূর্তে সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছেছে বলে জানা যাচ্ছে।
একইভাবে ভুট্টার দামও দ্রুত বাড়তে শুরু করেছে, যা খাদ্যপণ্যের সামগ্রিক বাজারকে আরও ব্যয়বহুল করে তুলছে।
মধ্যবিত্তের সংসারে বাড়ছে চাপ
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ায় সাধারণ মানুষের মাসিক বাজেটে বড় প্রভাব পড়ছে। বিশেষ করে মধ্যবিত্ত পরিবারগুলির ক্ষেত্রে রান্নাঘরের খরচ আগের তুলনায় অনেকটাই বেড়ে গেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্ববাজারে এই প্রবণতা যদি চলতে থাকে, তাহলে আগামী দিনেও খাদ্যপণ্যের দাম আরও বাড়তে পারে।
বিশ্ববাজারে কাঁচামালের দাম বাড়তে থাকায় নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের দামেও আগুন লেগেছে। পাম তেল, সয়াবিন তেল থেকে শুরু করে গম ও ভুট্টার দাম বেড়ে যাওয়ায় মধ্যবিত্তের নিত্যদিনের খরচ আরও বাড়ছে।













