কলিকাপুর রাজবাড়ি: প্রি-ওয়েডিং শুটের জন্য দম্পতিদের প্রথম পছন্দ

ইতিহাসঘেরা আউশগ্রামের কালিকাপুর রাজবাড়ি এখন প্রি-ওয়েডিং ফটোশুটের আদর্শ স্থান। পুরনো স্থাপত্য, নতুন সাজসজ্জা ও বহু শুটিং হওয়ায় এটি দম্পতিদের কাছে বিশেষ আকর্ষণ।

Wedding Photography: প্রাচীন সৌন্দর্য ও সিনেম্যাটিক পরিবেশ খুঁজতে আজকাল বহু দম্পতি ছুটে যাচ্ছেন পূর্ব বর্ধমানের ঐতিহাসিক কলিকাপুর রাজবাড়িতে। বহু বাংলা ও হিন্দি সিনেমার শুটিং হওয়া এই রাজবাড়িটি এখন প্রি-ওয়েডিং ফটোগ্রাফির আদর্শ গন্তব্য। শীতকাল ও বিয়ের মরসুমে এখানে ভিড় চোখে পড়ার মতো বেড়েছে। কারণ, দম্পতিরা চান তাঁদের বিশেষ মুহূর্তগুলোকে রাজকীয় ও অনন্য পরিবেশে বন্দি করতে। শুটের আগে অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক বলে জানিয়েছে রাজবাড়ি কর্তৃপক্ষ।

কেন দম্পতিদের প্রথম পছন্দ কলিকাপুর রাজবাড়ি

পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রাম অঞ্চলে অবস্থিত এই রাজবাড়ি বিখ্যাত তার রাজকীয় স্থাপত্য, পুরনো দালান-কলাম ও নিসর্গসৌন্দর্যের জন্য।

শান্ত পরিবেশের সঙ্গে প্রাচীন ইট-গাছের ছায়ায় তৈরি এই লোকেশন ফটোর ব্যাকড্রপকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে।

দম্পতিদের মতে, এখানে শুট করলে ছবিতে এক ধরনের স্বাভাবিক, নান্দনিক ও ঐতিহ্যমণ্ডিত অনুভূতি উঠে আসে।

সিনেমার কারণে বেড়েছে জনপ্রিয়তা

কলিকাপুর রাজবাড়িতে দীর্ঘদিন ধরে বাংলা ও হিন্দি সিনেমার শুটিং হয়ে আসছে।

জনপ্রিয় অভিনেতা-পরিচালকরাও এই লোকেশনের প্রশংসা করেছেন বহুবার।

ফলে রাজবাড়িটি সিনেমাপ্রেমী তরুণ-তরুণীদের কাছে আরও বেশি আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। প্রি-ওয়েডিং শুটে এখানে সহজেই তৈরি হয় সিনেম্যাটিক লুক।

সংস্কার ও নতুন সাজ—শুটিংয়ের জন্য আরও উপযোগী

সম্প্রতি রাজবাড়িটির বিভিন্ন অংশে সংস্কার ও সৌন্দর্যায়ন করা হয়েছে।

দালান, আঙিনা, পুরনো বারান্দা, কলাম ও নকশাদার দেয়াল এ সবই ছবিকে এক অনন্য শিল্পভাব দেয়।

এখানে বিভিন্ন থিম—রয়্যাল, ট্র্যাডিশনাল, ভিনটেজ বা কালচারাল—সবই খুব সহজে শুট করা যায়।

গুসকরা থেকে নিকটবর্তী—যাতায়াত সহজ

কলিকাপুর রাজবাড়ি গুসকরা শহরের খুবই কাছে হওয়ায় শুটিং টিম, ফটোগ্রাফার ও দম্পতিদের জন্য যাতায়াত অত্যন্ত সহজ।

তবে বাড়তে থাকা ভিড়ের কারণে শুটের আগে রাজবাড়ি কর্তৃপক্ষের অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক।

প্রশাসনও পর্যটক ও শুটিং টিমের নিরাপত্তা ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে নজরদারি বাড়িয়েছে।

পূর্ব বর্ধমানের কলিকাপুর রাজবাড়ি এখন প্রি-ওয়েডিং শুটের নতুন কেন্দ্রবিন্দু। ঐতিহ্যবাহী স্থাপত্য, সিনেমার মতো পরিবেশ ও সংস্কার করা আঙিনা দম্পতিদের নজর কেড়েছে। শুটিংয়ের আগে প্রশাসনিক অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক বলে জানানো হয়েছে।

 

Leave a comment