মাঝরাতে কাঁকুড়গাছিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, পরপর বিস্ফোরণে আতঙ্কে এলাকা

কাঁকুড়গাছিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: একের পর এক বিস্ফোরণে আতঙ্ক, ৭ ইঞ্জিনে আগুন নেভানোর চেষ্টা

মাঝরাতের নিস্তব্ধতা ভেঙে আতঙ্কের চিত্র কাঁকুড়গাছিতে। বৃহস্পতিবার রাত প্রায় ৩টে নাগাদ ঘোষবাগান এলাকার একটি গুদামে আচমকা আগুন লাগে। মুহূর্তের মধ্যেই সেই আগুন ভয়াবহ রূপ নেয় এবং পরপর বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে ওঠে আশপাশের এলাকা।

গুদামে আগুন, শুরু বিস্ফোরণের তাণ্ডব

স্থানীয় ও দমকল সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘোষবাগানের একটি গুদাম থেকেই আগুনের সূত্রপাত। আগুন লাগার পরই একের পর এক বিস্ফোরণ হতে থাকে। বিস্ফোরণের তীব্রতায় প্রায় ২০০ মিটার দূরের বাড়িঘর পর্যন্ত কেঁপে ওঠে বলে দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের।

মাঝরাতে কাঁকুড়গাছিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, পরপর বিস্ফোরণে আতঙ্কে এলাকা
ঘটনাস্থলে দমকলের ৭টি ইঞ্জিন, চলছে উদ্ধারকাজ

খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের ৭টি ইঞ্জিন। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ শুরু করেন দমকলকর্মীরা। পাশাপাশি সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে এলাকায় রাখা হয়েছে ৪টি অ্যাম্বুল্যান্স।

২৫–৩০ বার বিস্ফোরণের দাবি, আতঙ্কে বাড়ি ছাড়েন বাসিন্দারা

স্থানীয়দের দাবি, আগুন লাগার পর অন্তত ২৫ থেকে ৩০টি মাঝারি থেকে প্রবল বিস্ফোরণ হয়। বিকট শব্দে ঘুম ভেঙে যায় বহু মানুষের। আতঙ্কে অনেকেই মাঝরাতে বাড়ি ছেড়ে রাস্তায় বেরিয়ে আসেন। কেউ কেউ ঘটনাটিকে ‘যুদ্ধক্ষেত্রের মতো পরিস্থিতি’ বলে বর্ণনা করেছেন।

মাঝরাতে কাঁকুড়গাছিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, পরপর বিস্ফোরণে আতঙ্কে এলাকা

গুদামে কী ছিল? উঠছে প্রশ্ন

এই গুদামে কী ধরনের সামগ্রী মজুত ছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে দমকল সূত্রের অনুমান, সেখানে দাহ্য বা বিস্ফোরকজাতীয় কোনও পদার্থ থাকতেই পারে, যার জেরেই আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে ও বিস্ফোরণ ঘটে।

আগুন লাগার কারণ খতিয়ে দেখছে পুলিশ

আগুন কীভাবে লাগল, সে বিষয়ে এখনও পর্যন্ত দমকলের তরফে আনুষ্ঠানিক কোনও মন্তব্য করা হয়নি। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এবং সম্ভাব্য নিরাপত্তা ত্রুটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

মাঝরাতে কাঁকুড়গাছিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, পরপর বিস্ফোরণে আতঙ্কে এলাকা
কলকাতার কাঁকুড়গাছি ঘোষবাগান এলাকায় গভীর রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। আগুন লাগার কিছুক্ষণের মধ্যেই একের পর এক বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। দমকলের ৭টি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ চালাচ্ছে। এখনও পর্যন্ত হতাহতের খবর মেলেনি।

Leave a comment