কর্ণাটক সরকার ‘পিরিয়ড লিভ পলিসি ২০২৫’ চালু করে রাজ্যের ৬০ লক্ষ কর্মজীবী মহিলাকে প্রতি মাসে ১টি সবেতন ছুটি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই উদ্যোগটি মহিলাদের স্বাস্থ্য, স্বাচ্ছন্দ্য এবং উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করবে। রাজ্য এখন সেই নির্বাচিত রাজ্যগুলির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে যেখানে মাসিকের সময় কর্মজীবী মহিলারা ছুটি পান।
কর্ণাটক পিরিয়ড লিভ পলিসি ২০২৫: কর্ণাটক সরকার ২০২৫ সালে ‘পিরিয়ড লিভ পলিসি’ কার্যকর করে রাজ্যের ৬০ লক্ষ কর্মজীবী মহিলাকে প্রতি মাসে ১টি সবেতন ছুটি দেওয়ার ঘোষণা করেছে। সরকারি দফতর, বেসরকারি সংস্থা এবং শিল্প ক্ষেত্রের মহিলারা বছরে মোট ১২টি ছুটির সুবিধা নিতে পারবেন। এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য হল মহিলাদের স্বাস্থ্য ও স্বাচ্ছন্দ্য বৃদ্ধি করা এবং কর্মজীবনকে সহজ করা। নীতিটি ১৮ থেকে ৫২ বছর বয়সী প্রতিটি কর্মজীবী মহিলার জন্য প্রযোজ্য হবে।
কর্ণাটকে কার্যকর হলো পিরিয়ড লিভ পলিসি ২০২৫
কর্ণাটক সরকার ‘পিরিয়ড লিভ পলিসি ২০২৫’ কার্যকর করে রাজ্যের ৬০ লক্ষ কর্মজীবী মহিলাকে প্রতি মাসে ১টি সবেতন ছুটি দেওয়ার ঘোষণা করেছে। এখন সরকারি দফতর, বেসরকারি সংস্থা এবং শিল্প ক্ষেত্রের কর্মজীবী মহিলারা বছরে মোট ১২টি সবেতন পিরিয়ড লিভের সুবিধা নিতে পারবেন। এই পদক্ষেপের ফলে মহিলাদের কর্মজীবনে স্বস্তি এবং স্বাস্থ্যের জন্য আরও ভালো পরিবেশ তৈরি হবে।
সরকার একটি অফিসিয়াল নোটিশ জারি করে নীতিটি সারা রাজ্যে কার্যকর করেছে। ১৮ থেকে ৫২ বছর বয়সী প্রতিটি কর্মজীবী মহিলা এই প্রকল্পের সুবিধা নিতে পারবেন।

৬০ লক্ষ মহিলা সরাসরি উপকৃত হবেন
কর্ণাটক শ্রম দফতরের তথ্য অনুযায়ী রাজ্যে প্রায় ৬০ লক্ষ মহিলা বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজ করেন। এদের মধ্যে ২৫ থেকে ৩০ লক্ষ মহিলা কর্পোরেট সেক্টরে রয়েছেন। সরকার শীঘ্রই সমস্ত নিয়োগকর্তার সাথে বৈঠক করে নীতির বাস্তবায়নের নিয়মাবলী স্পষ্ট করবে।
এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য হলো এটি নিশ্চিত করা যে কোনো সংস্থাই আদেশকে উপেক্ষা না করে এবং মহিলারা তাদের সম্পূর্ণ অধিকার পান। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পদক্ষেপ মহিলাদের স্বাস্থ্য, স্বাচ্ছন্দ্য এবং উৎপাদনশীলতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
মাসিকের সময় বিশ্রাম জরুরি, কমিটি নীতির সুপারিশ করেছে
নীতি কার্যকর করার আগে সরকার একটি ১৮-সদস্যের কমিটি গঠন করেছিল, যা মাসিকের সময় মহিলাদের শরীরে হওয়া পরিবর্তন এবং বিশ্রামের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন জমা দিয়েছিল। ক্রাইস্ট ইউনিভার্সিটির আইন বিভাগের প্রধান স্বপ্না এস এই কমিটির নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।
কমিটি জানিয়েছে যে মাসিকের সময় পেট ব্যথা, ক্লান্তি, মেজাজ পরিবর্তন এবং দুর্বলতার মতো সমস্যার কারণে মহিলাদের বিশ্রামের প্রয়োজন হয়। এই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সরকার বিভিন্ন বিভাগ ও কোম্পানির কাছ থেকে মতামত নিয়ে নীতিটিকে চূড়ান্ত রূপ দিয়েছে।
অন্যান্য রাজ্যগুলিতেও পিরিয়ড লিভ কার্যকর রয়েছে
কর্ণাটক এখন সেই রাজ্যগুলির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে, যেখানে মহিলাদের মাসিকের সময় ছুটি দেওয়া হয়। বিহারের মহিলারা প্রতি মাসে দুটি পিরিয়ড লিভ পান, অন্যদিকে ওড়িশা সম্প্রতি সরকারি মহিলা কর্মীদের জন্য একটি ছুটির ঘোষণা করেছে।
এই উদ্যোগের ফলে রাজ্যের মহিলা কর্মীদের স্বাস্থ্য এবং কর্মজীবনে উন্নতির আশা বেড়েছে।









