বাঁকুড়া শহর ও সংলগ্ন অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান। South Eastern Railway–এর আদ্রা ডিভিশনের উদ্যোগে চালু হল কেশরা–কাটজুরিডাঙ্গা (KJRG) প্যাসেঞ্জার হল্ট। নতুন স্টেশন চালু হওয়ায় যাত্রীদের সময় ও খরচ—দুইই সাশ্রয় হবে বলে মনে করছে রেল কর্তৃপক্ষ।
বাঁকুড়া-আঞ্চুরির মাঝামাঝি নতুন স্টপেজ
আদ্রা ডিভিশনের অন্তর্গত Bankura ও আঞ্চুরি স্টেশনের মাঝামাঝি অবস্থিত এই হল্ট সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়। রেল সূত্রে খবর, স্থানীয়দের বহুদিনের দাবির পর এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে। স্টেশনটি HG-3 শ্রেণিভুক্ত এবং ১৬ জানুয়ারি ২০২৪ থেকেই যাত্রী বুকিং পরিষেবা চালু ছিল। এবার নিয়মিত ট্রেন থামানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
১০টি ট্রেনের স্টপেজের প্রস্তাব
আদ্রা ডিভিশনের সিনিয়র ডিসিএম বিকাশ কুমার জানান, যাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত। GM ও বাণিজ্য বিভাগের সুপারিশে একাধিক MEMU ও প্যাসেঞ্জার ট্রেনের স্টপেজের প্রস্তাব রেলবোর্ডে পাঠানো হয়েছে। প্রস্তাবে আদ্রা–মেদিনীপুর, খড়গপুর–আদ্রা, ধানবাদ রুট-সহ মোট ১০টি ট্রেনের নাম রয়েছে। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে ট্রেন থামলে গ্রামাঞ্চলের যাত্রীদের যাতায়াত অনেক সহজ হবে।
কর্মজীবী, ছাত্রছাত্রী ও ব্যবসায়ীদের বড় সুবিধা
এতদিন বহু বাসিন্দাকে দূরের স্টেশনে গিয়ে ট্রেন ধরতে হত। নতুন হল্ট চালু হওয়ায় সময় ও অতিরিক্ত ভাড়া—দুইই বাঁচবে। কর্মজীবী মানুষ, পড়ুয়া ও ছোট ব্যবসায়ীদের জন্য এটি বড় স্বস্তির খবর। স্থানীয়দের মতে, যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হলে এলাকার আর্থ-সামাজিক উন্নয়নও ত্বরান্বিত হবে।
চিকিৎসা পরিষেবায় মিলল বিশেষ স্বস্তি
সবচেয়ে বড় সুবিধা মিলবে স্বাস্থ্য পরিষেবায়। নতুন স্টেশন থেকে নেমে মাত্র পাঁচ মিনিটেই পৌঁছনো যাবে Bankura Sammilani Medical College–এ। এতদিন বাঁকুড়া স্টেশন থেকে হাসপাতালে পৌঁছতে প্রায় ৩০ মিনিট সময় লাগত। দূরদূরান্ত থেকে চিকিৎসা করাতে আসা রোগী ও তাঁদের পরিবারের জন্য এটি বিশেষ উপকারী বলে মনে করা হচ্ছে।
দক্ষিণ-পূর্ব রেলের আদ্রা ডিভিশনের অধীনে কেশরা–কাটজুরিডাঙ্গা (KJRG) নতুন প্যাসেঞ্জার হল্ট স্টেশন চালু হল। বহুদিনের দাবির পর উদ্বোধনে খুশি এলাকাবাসী। বিশেষ করে হাসপাতাল যাতায়াতে বড় সুবিধা—স্টেশন থেকে মাত্র পাঁচ মিনিটে পৌঁছনো যাবে Bankura Sammilani Medical College–এ।












