শীতের মরসুমে ফের কুয়াশার দাপটে নাজেহাল বাংলা। বৃহস্পতিবার ভোর থেকেই কলকাতা থেকে মালদা পর্যন্ত বিস্তীর্ণ এলাকায় দৃশ্যমানতা অস্বাভাবিকভাবে কমে যায়। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, উত্তর ভারত থেকে আসা ঠান্ডা ও আর্দ্র বাতাসের প্রভাবেই এই ঘন কুয়াশার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
![]()
দক্ষিণবঙ্গে কুয়াশার চাদর
কলকাতা, দমদম, দিঘা, মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, দুর্গাপুর এবং ঝাড়গ্রাম—দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই সকাল থেকে ঘন কুয়াশা লক্ষ্য করা গিয়েছে। ঝাড়গ্রাম ও আশপাশের এলাকায় দৃশ্যমানতা ছিল ৫০০ মিটার থেকে ১ কিলোমিটারের মধ্যে। ভোরের দিকে যান চলাচল ধীর গতিতে চলায় অফিসযাত্রীদের ভোগান্তি বাড়ে।
উত্তরবঙ্গে আরও ভয়াবহ পরিস্থিতি
উত্তরবঙ্গের মালদা, কোচবিহার ও জলপাইগুড়িতে কুয়াশার তীব্রতা ছিল আরও বেশি। আবহাওয়া দফতরের তথ্য অনুযায়ী, কোথাও কোথাও মাত্র ২০০ থেকে ৫০০ মিটারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল দৃশ্যমানতা। একইসঙ্গে বিহার, ঝাড়খণ্ড ও ওড়িশাতেও প্রবল কুয়াশার প্রভাব পড়েছে।
তাপমাত্রার ওঠানামায় জমে থাকছে কুয়াশা
হুগলি-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৪ থেকে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৬–২৭ ডিগ্রির আশেপাশে থাকলেও সকাল থেকে তাপমাত্রা না বাড়ায় কুয়াশা দীর্ঘক্ষণ স্থায়ী হচ্ছে। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে কলকাতা বিমানবন্দরের তাপমাত্রা ছিল মাত্র ১৯ ডিগ্রি।
আগামিকালের পূর্বাভাস কী বলছে?
আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, শুক্রবারও রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় কুয়াশা থাকবে। পশ্চিম বর্ধমান, পুরুলিয়া, বীরভূম এবং উত্তর দিনাজপুরে ঘন কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও আজকের তুলনায় কুয়াশার দাপট কিছুটা কমতে পারে। আগামী কয়েক দিন রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে।
সকাল থেকেই ঘন কুয়াশায় ঢেকে গিয়েছে কলকাতা-সহ দক্ষিণ ও উত্তরবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকা। বহু জায়গায় দৃশ্যমানতা নেমেছে ২০০ থেকে ৫০০ মিটারের মধ্যে। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, শুক্রবারও কুয়াশার দাপট বজায় থাকবে, যদিও তীব্রতা কিছুটা কমতে পারে।










