ময়দান শ্লীলতাহানি মামলা: শুক্রবার গভীর রাতে সায়েন্স সিটির কাছে বাসের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকা এক বিবাহিত তরুণীকে জোর করে গাড়িতে তুলে নেশা খাইয়ে শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে তিন যুবকের বিরুদ্ধে। অভিযুক্তদের একজন তরুণীর পরিচিত বলে জানা গেছে। তরুণীর দাবি, আপত্তি জানানো সত্ত্বেও তাকে জোর করে গাড়িতে তোলা হয় এবং শহরের বিভিন্ন জায়গায় ঘোরানো হয়। পরে গভীর রাতে ময়দান এলাকায় তাকে ফেলে রেখে তিনজনই পালিয়ে যায়। পুলিশ বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত শুরু করেছে।

গুরুতর অভিযোগ, পুলিশের কাছে FIR দায়ের
ময়দান থানার পুলিশ তরুণীর অভিযোগের ভিত্তিতে শ্লীলতাহানি, অপহরণ এবং নেশা খাওয়ানোর ধারায় মামলা রুজু করেছে। বর্তমানে তরুণী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক মেডিক্যাল রিপোর্টে নেশাজাতীয় পদার্থ খাওয়ানোর ইঙ্গিত মিলেছে। এ বিষয়ে ফরেনসিক পরীক্ষাও চলছে।
পরিচিত যুবকসহ তিন অভিযুক্ত, দু’জন এখনও পলাতক
তরুণী জানিয়েছেন, গাড়িতে থাকা চালক যুবককে তিনি আগে থেকেই চিনতেন। সেই পরিচয়ের ভিত্তিতেই তাকে বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু গাড়িতে থাকা অপর দুই অচেনা যুবক দেখে সন্দেহ হওয়ায় তিনি উঠতে চাননি।অভিযোগ, এর পরেই জোর করে তাকে গাড়িতে তোলা হয়। তিন অভিযুক্তেরই পরিচয় নিশ্চিত করতে পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে।

শহরের বিভিন্ন এলাকায় ঘোরানোর পর গভীর রাতে ময়দানে ফেলে পলায়ন
তরুণীর অভিযোগ, গাড়িতে ওঠানোর পর তাকে নানা জায়গায় ঘোরানো হয়—এসময় তাকে ভয় দেখানো হয় এবং শারীরিক হেনস্থা করা হয়।গভীর রাতে ময়দান এলাকায় তাকে অসহায় অবস্থায় ফেলে রেখে তিন অভিযুক্তই পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
তদন্তে গতি—সিসিটিভি, নম্বরপ্লেট ও মোবাইল ট্র্যাকিংয়ে জোর
ময়দান থানার তদন্তকারী দল ঘটনাস্থলের আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছে।পুলিশ মোবাইল টাওয়ার লোকেশন, গাড়ির নম্বর শনাক্তকরণ এবং নেশাজাতীয় পদার্থের রিপোর্ট—সবকিছুর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। ক্রাইম ব্রাঞ্চের সহায়তায় একটি বিশেষ টিম তৈরি করা হয়েছে অভিযুক্তদের ধরার জন্য।

কলকাতার ময়দান এলাকায় এক বিবাহিত তরুণীকে জোর করে গাড়িতে তুলে নেশা খাইয়ে শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে তিন যুবকের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, রাতভর শহরের বিভিন্ন এলাকায় তাকে ঘোরানো হয় এবং পরে ময়দানে ফেলে পালিয়ে যায় তারা। পুলিশ অভিযোগ পেয়ে তদন্ত শুরু করেছে।









