কলকাতার জলের মিটারে হোঁচট: মেয়রের দ্রুত হস্তক্ষেপ, নিরাপদ স্থানে স্থানান্তর

কলকাতায় জলের মিটারের ভুল স্থাপন নিয়ে অভিযোগের পর দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছে পুরসভা। টক-টু-মেয়র অনুষ্ঠানে নির্দেশ দেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম। কোথায়, কীভাবে সমাধান মিলল জেনে নিন।

কলকাতা পুরসভা : শহরের জলের মিটারের স্থাপন নিয়ে অভিযোগের প্রতিক্রিয়ায় দ্রুত হস্তক্ষেপ করেছে। ১ নম্বর ওয়ার্ডের কাশীপুর এলাকার এক মহিলা জানিয়েছেন, মিটারের কারণে বারবার হোঁচট খাচ্ছেন। মেয়র ফিরহাদ হাকিম সরাসরি নিরাপদ স্থানে মিটার বসানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

কলকাতার জলের মিটারে হোঁচট: মেয়রের দ্রুত হস্তক্ষেপ, নিরাপদ স্থানে স্থানান্তর

মেয়রের সরাসরি হস্তক্ষেপ

টক–টু–মেয়র’ অনুষ্ঠানে অভিযোগ শুনে মেয়র ফিরহাদ হাকিম দ্রুত ব্যবস্থা নেন। তিনি সংশ্লিষ্ট বাড়ির জলের মিটার সরিয়ে নিরাপদ জায়গায় বসানোর নির্দেশ দেন। অভিযোগকারিণী জানিয়েছেন, মিটার সরানোর পরে বাড়িতে জলের প্রবাহের সমস্যা দূর হয়েছে।মেয়র বলেন, “আপনার সমস্যার সমাধান হবে, তবে মিটার বসানোর পরে জলের মান আগের তুলনায় ভালো হয়েছে কি না, সেটা জানাতে হবে।”

শহরে জলের মিটার স্থাপনের পরিকল্পনা

কলকাতা পুরসভার পরিকল্পনা অনুযায়ী শহর জুড়ে জলের অপচয় রোধ করতে জলের মিটার বসানো হচ্ছে। পাইলট প্রজেক্টের কাজ শুরু হয়েছে উত্তর কলকাতার ১ থেকে ৬ নম্বর ওয়ার্ড পর্যন্ত, অর্থাৎ কাশীপুর–বেলগাছিয়া থেকে টালা পর্যন্ত।দক্ষিণ শহরতলিতেও ১০১, ১০৭, ১০৮ ও ১১০ নম্বর ওয়ার্ডে পাইলট প্রজেক্ট শুরু হয়েছে। এই এলাকার মিটার বসানোর পরে কিছু ক্ষেত্রে চুরি হওয়ার অভিযোগও উঠেছে।

কলকাতার জলের মিটারে হোঁচট: মেয়রের দ্রুত হস্তক্ষেপ, নিরাপদ স্থানে স্থানান্তর

চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

উত্তর ও দক্ষিণ শহরতলির মিলিতভাবে প্রায় ২৫ হাজার জলের মিটার বসানো হয়েছে। তবে পুরো শহরে মিটার বসানোর কাজ এখনও সম্পূর্ণ হয়নি। পুর–আধিকারিকরা জানান, কার্যকরভাবে শহর জুড়ে মিটার বসানো খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু সময়সাপেক্ষ ও নিরাপত্তাজনিত কারণে কাজ ধীর গতিতে এগোচ্ছে।

কলকাতার জলের মিটারে হোঁচট: মেয়রের দ্রুত হস্তক্ষেপ, নিরাপদ স্থানে স্থানান্তর

শহরে জলের মিটারের নিরাপদ ও কার্যকর স্থাপন নিশ্চিত করতে মেয়রের হস্তক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। শহরের নাগরিকদের সুবিধা এবং জলের অপচয় রোধে পুরসভা সচেষ্ট। নাগরিকদের আরও আপডেট ও তথ্যের জন্য News18 Bangla নিয়মিত দেখার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

Leave a comment