কৃষ্ণনগরের গভর্মেন্ট কলেজ গ্রাউন্ডে জনসভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করলেন, রাজ্যের জনপ্রিয় প্রকল্প লক্ষ্মীর ভান্ডার বিধবা মহিলাদের জন্য আরও সহজলভ্য করা হচ্ছে। ৬০ বছরের পরও আলাদা আবেদন করতে হবে না, মা-বোনেরা যতদিন বাঁচবেন ততদিনই সুবিধা পাবেন। এই ঘোষণায় উপস্থিতরা আনন্দে মুখে হাসি নিয়ে বের হন।

লক্ষ্মীর ভান্ডারের ইতিবৃত্ত
২০২১ সালে পশ্চিমবঙ্গ সরকার চালু করে লক্ষ্মীর ভান্ডার। রাজ্যের অন্যতম জনপ্রিয় এই প্রকল্প নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা দীর্ঘদিন ধরে চলছে। তৃণমূলের দাবি, বাংলার এই প্রকল্প অনুসরণ করে অন্যান্য রাজ্যেও মহিলাদের জন্য অনুরূপ প্রকল্প চালু হয়েছে। ভোটের আবহে নতুন ঘোষণা থাকলে তা রাজনৈতিক মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দু হবে।
কৃষ্ণনগরের সভা থেকে বড় ঘোষণা
মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন, ৬০ বছরের পর বিধবা মহিলাদের জন্য আলাদা আবেদন প্রয়োজন হবে না। যতদিন বেঁচে থাকবেন, ততদিনই লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা পাবেন। এ ঘোষণায় উপস্থিতরা উচ্ছ্বসিত হয়ে মুখে মুখে হাসি ছড়িয়েছেন।

পরিযায়ী শ্রমিক ও অন্যান্য প্রকল্প
মমতা এদিন আরও বলেন, "আজ কত পরিযায়ী শ্রমিক ফিরে এসেছে, তাদের আমরা কর্মশ্রীতে কাজ দিয়েছি।" পাশাপাশি কন্যাশ্রী ও যুবশ্রী প্রকল্প সম্পর্কেও তিনি সোচ্চার হন।
কেন্দ্রকে তোপ
মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, "কেন্দ্রীয় বঞ্চনার পাল্টা বাংলার কর্মশ্রী প্রকল্প। ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পে কাজ পাবেন বহু মানুষ। ভিক্ষা চাই না, কেন্দ্রের টাকা রাজ্যের লাগবে না। আগামীতে রাজ্য নিজের অর্থে ১০০ দিনের কাজ চালিয়ে নেবে।"
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কৃষ্ণনগরের সভা থেকে ঘোষণা করলেন, ৬০ বছরের পর বিধবা মহিলাদের আলাদা আবেদন ছাড়াই, যতদিন বেঁচে থাকবেন, ততদিনই লক্ষ্মীর ভান্ডারের সুবিধা পাবেন। এদিন তিনি পরিযায়ী শ্রমিক, কন্যাশ্রী ও যুবশ্রী প্রকল্প সম্পর্কেও বিস্তারিত বক্তব্য রাখলেন।












